অর্থাৎ গৌতমবুদ্ধেব অতীত জন্মসমূহের বৃত্তান্ত ফৌসবোল-সম্পাদিত জাতকার্থবর্ণনা-নামক মূল পালিগ্রস্থ হইতে

হুদ -13€9

এীরুাসে গন

শ্রীঈশানচন্্র ঘোষ অনুদিত

দ্বিতীম়ন থণ্ড

পা

করুণা প্রকাশনী কলিকাতা

রি

চে

গুনশুর্রন ফাল্গুন ১৪৮৯ 1 £

প্রকাশক

বামাচবণ মুখোপাধায় করুণা প্রকাশনী ১৮এ টেমার লেন কলিকাতা

মুদ্রাকব

অনিলকুমাব ঘোষ

দি অশোক প্রিন্টিং ওয়াস ২০৯এ বিধান সবণী কলিকাতা

্চ্ছাদ্শিক্ধী গণেশ হালুই

প়ন্লিশ টাকা

শভকনঙ্গপজ্জ

যিনি দরিদ্রের হাতে পড়িযাঁও ক্ষণকালের জন্য বিষাদের" চিচ্ন প্রদর্শন করেন নাই, ঘিনি সৌভাগ্যের সময়েও অনুৎনেকিনী ছিলেন এবং চিরদিন তপস্বিনী-বেশে দেবসেবায়, পতিসেবায় সন্তাঁন- পালনে দেহপাত করিষাছেন, যিনি নিজের চরিত্রপ্তণে শ্বগুরকুল পিতৃকুল পবিত্র করিয়া! গরিযাঁছেন এবং বাহার বিরহে আমি এই দশ বৎসর অর্দসৃত্ত- ভাবে জীবন বহন করিতেছি, আমার সেই সহ্ধগ্লিণী পরলোকগতা শশিমুখীর তৃপ্তি-নাধনার্ধ আমার বহুশ্রমসাধ্য জাতকের ছিতীয় খণ্ড উৎসর্গ করিলাম।

বিজ্ঞাপন।

এত দিনে জাঁতকেব দ্বিতীয় খণ্ড প্রকাপিত এবং তৃতীয় খণ্ড বন্রস্থ ইইল। কাগজে ুপ্রাপ্যতাই বিলঘ্েব প্রধান ফাবণ। এখন যেমন দেখা যাইতেছে, তাহাতে মনে হয়, অন্ততঃ আবও দুই বব অনুব্ধি! বাডিবে ভিন্ন কমিবে না। দ্বিতীয় খণ্ডে ১৫১ম হইতে ৩০তম গর্যাস্ত ১৫০্টা জাতক আছে , তৃতীয় খণ্ডে ১৩৮টা থাকিবে।

আমাৰ অনভিজ্ঞতাঁবশতঃ প্রথম খণ্ডে কোথাও কোথাও ত্রমপ্রমাদ ছিল। সমালোচক- দিগের অনুগ্রহে এবং পণ্তিতবর শ্রীযুক্ত বিধুশেখব শীন্্ী, কলিকাতা! বিশ্ববিদ্ালয়ের পাঁলি ভাবার অন্যতম অধ্যাপক বিনযলাচাধ্য ্রীমান্‌ সি্ধীর্থ গ্রভৃতি কতিপয বদুব নাহাধ্যে খণ্ডে নে সমস্ত য্থাদাধা পরিহাঁৰ করিবার চেষ্টা কবিয়াছি, কিন্ত কতদুর কৃতকার্য হইয়াছি বলিতে পারি না। গাথাব সংখ্যান্থসাবে জাতকগুলির যে সকল অধ্যায় নির্দিষ্ট আছে, 01110675 সাহেবের অনুমরণ কবিয়া আমি তাহাদিগকে প্রথম খণ্ডে "নিপাঠ” নাঁমে অভিহিত করিবাছিলাঁম ) শান্ী মহাশয়ের এবং ্রীমীন্‌ সিদ্ধার্থেব উপদেশে থণ্ডে তৎপরিবর্তে "নিপাত" শব বাবহাব কবিলাম। এক নিপাঁত বলিলে যে সকল জাতকে একটা মীত্র গাথা আবৃত্তি কবিতে হয়, তাহাদের মমি বুঝায়; এইক্সগ দবি-নিপাত, ত্রি-নিপাত ইত্যা্দি। ছবিতীব থণ্ডে দুইটা নিপাত এবং পনরটা বর্গ আছে। ১৫১ম হইতে ২৫০ম পর্য্যন্ত একশতটী জাঁতকে ছুক-নিপাত এবং ২৫১ম হইতে ৩০০ম পর্থান্ত পধধাশটা জাতকে তিক-নিপাঁত। প্রতি নিগাতের দশ দশটা জাতক লইয়া এক একটা বর্ণ।

গরথম খণ্ডের উপক্রমণিকায় বলা হইয়াছে যে গাথাগুলি জাঁতকেৰ বীজ। খুদ্বকনিকীষেব থে অংখ 'জাতক নামে অভিহিত, তাহাতে কেবল গাথাই আছে, ণগ্ঠ নাই। কিন্ত অনেক স্থানে, বিশেষতঃ সংখ্যাষ নিতান্ত অন্ন হইলে, কেবল গ্র্থাদবারা আখ্যাধিকাটা বুঝিতে গাব যায নাঁ। অতএব গণ্ভে গল্গ রচনা কবিয়া তাহার সন্দে গাথাগুলি মংযৌজিত কবিবাব প্রযোজন হইয়াছিল। এইকপেই জাতবার্থকথ! জাতবা্থবর্ণনাব উৎপত্তি হুষ। বিকট সীচীব ভ্তুপে যখন কোন কোন জাতকের নাম এবং গগ্যময় অংগের ঘটনা উৎকীর্ণ রহিষাচ্ছ, তখন শ্বীকাঁর করিতে হইবে যে গগ্ঘপগ্াত্বক জাতকের রচনা! গ্রষ্টের অন্ততঃ ছুই তিন শত বদর পূর্বেই সম্পাদিত হইযাঁছিন।

অনেক জীতকে [ যেমন মুকপন্ধু (৫৩৮), ভৃতিদতত (৫৪৩), মহাঁনারদবনপ্ঠপ (৫৪৪), বিদুয়পণ্ডিত (৫৪৫), বিশ্বস্তর (৫৪৭ )] গাথার ভাগ এত বেশী যে গগ্যাংশ না থাঁকিলেও চলে; কোথাও কোথাও গ্ভাংশ গাথারই পুনরুক্কি মাত্র। সম্ভবতঃ এই দকণ প্রথমে কাব্যাকারেই রচিত হইয়াছিল।

সন্বর্মপুণুতীক নীমক গ্রন্থে জীতকের উৎগত্তিমন্বন্ধে এইরূগ লিখিত আছে ২--“বুদ্ধদেব তীহাঁর বহুশিত্বের অধিকার'ভেদ বিবেচনাপুর্বক ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ধূ্মদেশন কবিতেন। এই জগ্য তাহীকে অনেক সমযে চিত্তরপ্রক অথচ সছ্পদেশমূনক গল্প কবিতে হইত; লোকে তাহা শুনিষা ধর্মের মর বুঝিত সন্নীতি-পরায়ণ হইয়া এ্রহিক পাবত্রিক সখ লাভ করিতি।” বুদ্ধেব শিশ্কপ্রশিত্তগণও এই উপায় অবলম্বন করিতেন এবং গাখাগুলিকে বরণনাত্বক গণ্চেব সহিত ইচ্ছামত লীলাইয়া৷ মনোহর গল্পের হ্থটি কবিতেন। গল্পের সাহীঘ্যব্যভিবেকে,

1%

পাজাপাত্র বিবেচনা না! করিয়া অভিধর্শ ব্যাখ্য। করিতে গেলে বৌদ্ধেরা কখনও এত কৃতকার্য হইতে পারিতেন না।

জাতকেব প্রধান উদদেন্ত পাঁবমিতীসমূহেৰ মহিমাঁকীর্ভন। বৌধিসত্ব কোন জন্মে দান, কৌন জন্মে ীল, কোন জন্মে প্রজ্ঞা, কোন জন্মে সত্য, কোন জন্মে মৈত্রী ইত্যাদি পারমিডার অনুষ্ঠান কবিয়াছিলেন এবং সেই সঞ্চিত পুণ্যবলে অস্তিমকাঁলে অভিসদুদ্ধ হইয়া পবিনির্বাণ প্রাপ্ত হইয়াছিলেন। উপাঁসকেবাঁও স্ব স্ব সাধ্যানথমাবে এই সমন্ত পাৰমিতার অনুষ্ঠান ককন) ভাহা হইলে তীঁহারাও জন্ম-জন্ান্তবে উন্নতি লাভ করিয়া শেষে নির্বাণ লাঁত করিবেন ;--মরঘ ভাষাষ এই তত্ব ব্যাখ্যা কবাই জাতকেব মুখ্য উদদেষ্ত।

প্রথমে স্থিব কবিয়াছিলাম জাতকের দ্বিতীয় খণ্ডের উপক্রমণিকাস্ন মহাতারতেব জীতক- সাদৃগযুক্ত আখ্যাদলিকাসমূহেব একটা তালিকা দিব, এবং পরবর্তী খণ্সমূহে পঞ্চতন, কথাসরিৎমাগর প্রভৃতি গ্রন্থ লইয়াও এইবপ আলোচনা! করিব। কিন্তু শেষে ভাবিয়| দেখিলাঁধ, এন্ধপ তাঁলিকাঁৰ উপযোগিতা তত অধিক মহে, পাঠকের! নিজেরাই অনেক স্থানে সাদৃশ্য অন্থতৰ করিতে পারেন) অন্থবাদকের যাহা বন্তবা, তাহ! পাটাকাকারে দিলেও চধে। গ্াতকপাঠে পুরাকাণীন সমাজ, আচাবব্যবহাঁব, শাসনপ্রণালী ইত্যাদির সবন্ধে যাহা জানা যাঁয়, ভাহ। একত্র সন্নিবন্ধ কবিতে পারিলে বরং পাঠকদিগের পক্ষে স্থবিধা হইতে পারে, এই বিশ্বাসে আমি পেষে সেই ছুঃপাহসিক কাজে হাত দিয়াছি। কেহ হয়ত বলিবেন, সমস্ত জাতকেৰ অনুবাদ শেষ হইবার পরেই এরূপ আলোচনায় প্রতৃত্ত হওয়া কর্তব্য আপত্তি যুক্তিসঙ্গত বটে, কিন্তু ততদিন পর্যন্ত নীবব থাঁকা৷ বয়দে আমার সাহসে কুলায় না। আমি এপর্যযস্ত প্রায় ৪৪০টা জাতকের অনুবাদ কবিয়াছি » অবশিষ্ট শতাধিক জাতফও মোটামুটি পড়িযাছি। ইহীব ফলে আমার যে প্রতীতি জন্মিয়াছে, খণ্ডে তাহাই লিপিবদ্ধ করিলাম। ভিত্তি স্থাপিত হইল; উত্তরকালে অন্ত কেহ অপেক্ষান্কত অল্লাগাসে ইহার উগব গঠন করিতে পারিবেন। এখানে শ্মরণ বাখ! আবশ্যক যে; জাতকপ্রদত্ত সমাজ-টিত্র প্রাধালতঃ আর্ম্যাবর্তের শ্রীচ্যখণ্ডের ) তাহা দেখিয়! প্রাচীন ভারতবর্ষের অন্তান্য অংশগঘন্ধে কোন দি্ধীস্তে উপনীত হওয়া সমীচীন নহে। অধিকাংশ জাতকেই কাশী, কোশল, বিদেহ, বৈশালী প্রভৃতি প্রাচ্য-রাজ্যসমূহেব কথা) পশ্চিমে সাহ্কাশ্যার পূর্বে অঙ্গের বাহিবে কোন অঞ্চলের র্বীতিনীতির বড উল্লেখ নাই। গান্ধীর, কলিঙ্গ প্রভৃতি কতিপঃ দূরবর্তী দেশের না আছে বটে, কিন্ত দে কেবল গ্রসঙ্ক্রমে , আখ্যাধিকার মু অংশের সহিত দে উল্লেখেব সম্বন্ধ খুব অন্ন। আরধযাবর্তের পূর্বার্ধেই বৌদ্ধধর্ণের উৎপত্তি অভ্যুদয়, এবং প্রথম ছুইশত বদর ইহা এই অঞ্চলেই নিবদ্ধ ছিল কাজেই বৌদ্ধেরা জাতন্তক্ষা- গুলিকে সর্বজনীন করিতে গিয়াও তাহাদিগকে উৎপতিস্থানগত বৈশিষ্ট্যহীন করিতে পাঁবেন নাই। এই কারণেই জার্দাণ পণ্ডিত ডাক্তার ফিক জাতকের প্রথম পাঁচ থখণ্ডেৰ আলোচন! করিয| যে গ্রন্থ লিখিয়াছেন, তাহার 5০০181 01280755607 10 ত010585 [0018 10 000010925 11785 এই নাম দিয়াছেন * আমি এই পুস্তক হইতে যথেষ্ট সাহা গ্ধাছি। কিন্তু ইহাঁতে যে যে বিষয়ের আলোচনা আছে, তাহার অতিবিক্ত ছুই একটা বিষয়েও হাত দিয়াছি, যেমন নাবীজাতির অবস্থা, বিবাহের ব্যন্‌, বিধবার পত্য্তর গ্রহপ।

ফিকের গ্রন্থ প্রথন ৫৩৭টী জীতক অবলম্বন করিয়া রচিত। আঁমি পরবর্তী দশটা জাতক হুইতেও উপাদান সংগ্রহ করিযাছি।

উড ব্রার রেন্ারিরারারারক স্্রতি ডাক্ায় শিশিববুমাব নৈহ, এম, এ, সহোদয ইংয়ালী ভাষায় এই শরস্থেৰ অতি উৎষ মদ হযে

1৬5

শ্রথম খণ্ডের উপক্জমণিকায় কয়েকটা বাঙ্গালা শব্দের উৎপত্তিসম্থদ্ধে আলোচনা কবা হইয়াছিল। নিয়ে আরও কয়েকটা শব প্রদত্ত হইল ?-_ ভুতন-বদরি রঃ পাসি কোন) সংস্থত “কোল? ব! 'কুবল' | “বিবি, হইতে পুর্বাবঙ্গে “বরই, নুগলো- শৃর্পে্ব (শুপের ) প্রাদেশিক নাম (“ছাই ফেল্‌তে ভাঙ্গা কুলো? )। পাঁলি কুল্নক। গু-(ৰিঠা)। গালি সংস্থতে গৃখ'। বাঙ্গালা 'ঘুটে, শব্টা ইহারই রপাস্তর কি না, তাহা বিবেচ্য তৃতূং পালি 'ভুজক'-বিখন্তব-জাতকবর্ণিত এক নিষ্ঠুর (অতিবিয়ো ফরুসৌ) এবং ভীষণা- কবায় ('অটুঠাবস পুরিসদোস,-ুক্ত) বৃদ্ধ ত্রা্গণ। ব্যক্তি বিশ্বস্তরের পুর জাঁলি- কুদার এবং বন! কৃষ্ণাজিনাকে লইয়া গিয়াছিল এবং পথে ভাহাঁদিগকে বড কষ্ট দিয়াছিল। এখনও আমরা ছোট ছেলেদিগকে "জুছু আসিতেছে” বলিয়া ভয় মেখাই। ইহাতে বুঝা যাইতেছে, পূর্বে এদেশের আবালবৃদ্ধবনিতা সকলেই বিশস্তব়ের কাহিনী জানিত। টাউ-দেবপুজায় ব্যবহৃত তাত্রপান্রবিশেষ। গালি তক? ইহার সংস্কৃত প্রতিশব পাই লাই। খভিন--পালি “থিকা! ) সংস্কৃ ্িবিকা (1)। শা্গতা (পিল্তে )- পালি 'গিলোতিকা/, সংস্থত 'প্লৌতিকা বা “প্রোতিকা!। ₹. সত পালি 'ভন্তা” মত ভগ্রা'। সহত1_ছাতুর বস্তা। বাড়ী (ভাত)-__পাঁশি “বড্চনঃ। ফুক্ণ-পঁত্র হইতে পরিবেষণের জন্ক ভাত তোলার | নাম ভাত বাড়া। ইহা নিজস্ব যৃত্ধাতুজ। স্পাড়ী- গালি 'শাঁটক” সংস্থত 'শাট 'শটিফ? | | পূর্বপ্রতরক্য ফকখ্চলি ধক এখন অচল হইছে, সেগুলিকে আবার চাঁলাইতে পাঁবিলে ভাষার শ্রীবৃদ্ধি হইণে পায়ে, একথাও প্রথম খণ্ডের উপক্রমণিকায় যল| হইয়াছিল। দ্বিতীয় খণ্ডের অনুবাদ” আহি এইরূপ আরও কয়েকটা শব পাইয়াছি। তন্মধ্যে “আজ্ঞাসম্পন্ন (০1 ০9000181.01016 01686066- চেহারা! দেখিলেই যাহার জাদেশ মানি চলিতে হয়), উত্তীন (চিৎ), গণদান (চাঁদা তুলিয়। যে দান করা হয়), পন্থযাতক (বাটপাব, 112 %/8)11817), সংবনুল (কর) অর্থাৎ মৃততেদ ঘটিকে ৬০০ লইঞ মীমাংসা! কবা, সন্ধিচ্ছেদক (শিঁদেল চোব) প্রভৃতি শব্দ উল্লেখযোগ্য

জিডি ] হ্লীঈম্পানচভ্দ্র হো

ত*শে কাদির ১৩২৭

হিশ্পেন জষ্টব্য

দু” ৬২ম পৃষ্ঠে ৩৬ গডক্তিতে মন্ত্র শবে বেদ বুঝিতে হইবে।

১০৭ম পৃষ্ঠে ভক্ক-জাঁতক লেখ! হইয়াছে। সংস্কৃত “ভৃগু শব্দ গাঁলিতে 'ভকঃ | সংস্কৃত “হৃ কচ্ছ, ; পাঁলি 'ভরুকচ্ছ?

২১৫ম পৃঠের পাঁদটাকায় য্টিবৎসর ব্যস হস্তীব কথ! বন হইয়াছে। সংস্কত সাঁহিত্যেও টিহাঁয়ন কুষ্তরের উৎকর্ষ বর্ণিত আছে (রামায়ণ, অযোধ্যাকাঁও, ৬%২০)।

জাঁতকে পুরাতত্ব। [এই অংশে মধ্যে মধ্যে যে সকল অন্ক আছে, সেুলি জাতকের সংখ্যানির্দেশক]

(ক) জাতিভেদ।

বৌদ্ধেরা কর্মফলবাদী ; তীহাদেৰ মতে কর্মতদ্ধিই নির্বাণলাভেন্ন এমা গালি হো উপায়? ভীহাদের সঙ্মে নাগিতজাতীয় উপালি বিনয়ধর হইয়াছিলেন, বৈবর্ক আতর কুলজ লোঁদক (৪১) এবং দাদের ওরসে শ্রেঠিকন্যার গর্ভজাত মহীপন্থক ? চুননগন্ক [চুলশ্রেঠী (৪)] অর্হত্ব নাত করিয্লাছিলেন। দ্ব়ং বুদধদেবই বলিয়া" ছিলেন, “যেমন গন্গা, যমুনা। সরযূ, অচিরবতী প্রভৃতি মহানদীসকল সমুদ্রে গড়িয়া নিজ নিজ নাম হারার এবং সমুদ্রেবই অংশীতৃত হয়, সেইরূপ ক্ষলিয়, ্রাঙ্গণ, বৈশ্য শৃদ্র ্ঞে প্রবিষ্ট হইলে তাঁহাদেব আর জাতিগত পার্থক্য থাকে না; তখন তাহারা মকলেই "শ্রমণ' পদবাচ হয়।” কিন্তু ব্যবস্থা ছিল কেবধ ভিন্ষুদিগের সম্বন্ধে? সঙ্মের বাহিরে, গৃহীদিগের্ মধ্যে, জাতিতেদ বে অপরিহার্য, বৌদ্ধেরাও তাহা নিতেন এবং নীচজাতিতে জন্মগ্রহণ পূর্বকজনমার্মিত পাপের ফল বনিয়া মনে করিতেন। ভিক্ষুবাও যে পুরুষ-পরম্পরাগত জাত্যভিমান সহদ! পরিত্যাগ করিতে গাবিতেন, তাহা নহে। ভীমসেন-জাতকের (৮০) বর্তমান বস্ততে দেখা যায়, দেতবন-বিহারের একজন ভিক্ষু আম্পর্ধী করিতেন যে জাতি গোত্রে কেহই তীহীর তুল্যকক্ষ নহে, কেন ন। ভীহার জন্ম মহাক্ষভিয় কুলে। দেবদত্ত এবং কৌকালিকও [ জ্ুখাদক (২৯৪)] পরস্পরের সম্বন্ধে বিকখন করিয়া বেড়াইতেন) কোকালিক বলিতেন, “দেবদত ইঙ্গীকুকুলের ধুরত্বর” ; দেবদত্ত বলিতেন, ”কোকালিক উদীচ্য ত্রাঙ্ষণ।” অন্যাঁপি সিংহনের বিহাঁরদমূহে উচ্চ- জাতীয় ভিক্ষুরা নিযজাতীয় ভিক্ষুদিগের সহিত সমানভাবে মিশেন না। যখন বুদ্ধদেবের আবির্ভীব হয়, তখন আর্ধযাবর্ডের প্রীচ্যথণ্ডে নর্চভুষ্টয়ের আধীবর্তের মধ্যে ষতিয়দিগেরই রাধানয ছিল। প্রাচীন রব, সর্ধিও মাদেশে আণেরা হাত সমাজে যে শীর্ষস্থান লাঁত করিয়াছিলেন, পূর্বদিকে অগ্রসর হইয়া তীহাঁরা তাহা রক্ষা করিতে পাবেন নাই। জাতকের নিদানকথায় এবং ললিতবিস্তারে দেখা য়, গৌতমবুদ্ধ ধবাধামে অবতীর্ণ হইবার পূর্বে কষত্রিয়কুলে জন্মগ্রহণ করিতেই কৃতসন্ব় হইয়াছিলেন, কেন না তখন শষত্রিয়েরাই জনসমাজে শ্রেষ্ঠ ছিলেন। এই নংস্কারবশতঃ, পালি গ্রহদমূহে যেখানে যেথানে ভিন্ন ভিন্ন জাতির নামোল্েখ আছে, প্রায় সেই মেই খানেই প্রথমে “ফতরিয, পরে বাণ শবের গ্রয়োগ হইছে নরক (৯১9), শীলমীমাস! (৩৬২); উদ্দালক (৪৮৭-) ইত্যাদি]। তৎকালে আধধযাবর্ডের পরাচ্যথগুবাধী ক্ষতিযবের! এমনই জাতাভিমানী

1৮5

খাজিঃদিগের মধো ব্রহ্ধা (ব্দার চষ্চা।

মজিয়দিগের

বেদাধায়ন

বর্ণাশ্রমধর্দা- পনন।

জাতকে পুবাতত্ব। রর

হইয়াছিলেন যে তীঁহাা ব্রাহ্মণদিগকে অবজ্ঞার চক্ষেও দেখিতেন। কোঁশলরাজ প্রসেনজিৎ ত্রাঙ্মণ কর্মচারীদ্দিগকে তীহীর মুখ দর্শন করিতে দিতেন না [ দিঘ- নিকায় (৩২৬))। শীাক্যদিগের সর্ধন্বে কথিত আছে যে একদা ত্রাক্ষণ অন্বষ্ঠ তীহাদেব সভাগৃহে গ্রবেশ রিলে তীহার! তাহাকে কেবল আমন না দিয়াই ক্ষান্ত হন নাই, তাঁহারা স্ব স্ব উচ্চাসনে উপবিষ্ট থাকিয়া এমন অ্হীস্য কবিয়াছিলেন যে শরান্মণকে অগ্রতিভ হইয়া নিঙ্কান্ত হইতে হইয়াছিল। বাবাণনীরাজ অরিন্দম এরত্যেকবুদ্ধ শৌণককে “্অয়ং ত্াঙ্মণো। হীনজন্চো” বলিয়া! অবজ্ঞা কবিয়াছিলেন [ শোঁণক (৫২৯)]। প্রাচক্ষভিম্নেরা কি অন্ত এইরূপ জাত্যভিমানী হইয়াছিলেন, নিয়ে তাহার আলোচনা কব! যাইতেছে।

অতি প্রাচীন কাঁলেও জ্ঞানে মধ্যাদায় ক্ষত্রিয়ের ত্রা্ণদিগের প্রায় তুর্যকক্ষ ছিলেন। উনপাশৎ, প্রবরপ্রবর্তক থধির মধ্যে ২১ জন ত্রাঙ্মণ, ১৯ জন ক্ষত্রিয় এবং জন বৈশ্ত। যে সাবিত্রী বেদের মাত! বলিয়া পরিকীর্তিতা, তিনি প্রথমে এব ক্ষয় মহর্ষিকেই দেখা দিয়াছিলেন। খগ্েদের সমৃ্ত তৃতীয় মণ্ডলটী এবং আরও বনু সু তাহার তীয় বংশধরদিগের নামেই প্রচলিত হইয়্াছে। যে উপনিষদ গুলি আর্ধজাতির প্রধান গৌরবের বিষয়, ক্ষরিঘ্নেরাও তাহাদের আঁলোচনায় সমধিক প্রতিষঠাীভাঁজন হইয়াছিলেম। ধিনি উপনিষদ্রূপ কামধেছ দোহন করিয়া- ছিলেন এবং ধিনি দৌঁহনকালে বসবগে নিয়োজিত হ্ইয়াছিলেন, তীহাঁর! উভয়েই ্ষত্রিয়। “সমগ্র হিনদুজাতি বীহাদিগকে ভগবানের অবতাব বলিয়া পূজা করিতেছেন, তীহাঁদের মধ্যে প্রধান তিন জনই জত্রিয়কুলজাত। আর্ধ্যো য্তই পূর্ববাভিমুখে অগ্রসব হইয়াছিলেন, ক্ষত্রিয়দিগের আধ্যাত্মিক উৎকর্ষ ততই পরিস্মুটিত হইম্াছিল। মিথিলাব ক্ষত্রিয় বাজধি জনক যে বরন্বিগ্ঠায় গুরস্থানীয় ছিলেন, ত্রান্মণেরাও একথ। মুক্তকণ্ে স্বীকাব কবিয়াছেন। উত্তবকালে থে ছুই মহাপুরুষ মোক্ষলাঁভের যে ছুইটা প্রকষ্ট পথ প্রদর্শন করেন, তাহারাও প্রাচা ক্ষতি বৈশালীর লিচ্ছবিকুলজ মহাবীর এবং কপিলবন্তর শাক্যকুলজ সিদ্ধার্থ

জাতকপাঁঠেও দেখ। যায়, বিছ্যাশিক্ষায় বেদাধ্যয়নে ক্ষতিয়েরা ত্রাহ্মণদিগের অপেক্ষ! নিরুষ্ট ছিলেন না কাশী গ্রভৃতি স্থানের বাঁজপুত্রেবা যোডশবর্ষ বয়সে বিগ্ভালাভার্থ তক্ষশিলার ন্যায় দূরবর্তী স্থানে গিয়া! গুরুগৃহে অবস্থানপূর্বক কঠোর ব্র্ষচর্ধ্য পালন করিতেল। তীহাঁদেব শিক্ষার প্রধান বিষয় ছিল অষ্টাদশ শিল্প বা বি্া। এই অষ্টাদশ বিগ্যাব মধ্যে চতুর্বেদের নাম আছে। কোঁন কোন জাতকে ইহার সে বোত্রয় (তয়ো বেদে) বিশিষ্টরূপেও উল্লিথিত হইয়াছে! দর্মেধোঁজাতকের (৫০) ব্ধত্বকুমার তক্ষশিলায় শিয়া তিন বেদ অষ্টাদশ বিদ্াস্থানে পাবগ হইয়াছিলেন। বারাণসীবাঁজগুত অসদৃশকুমার [ অসদৃশ (১৮১)] তক্ষশিলায় গিয়া তিন বেদ অষ্টাদশ শিল্পে ব্যুৎপন্প হইয়াছিলেন ধোনসাথ-জাতকে (৩৫৩) যে অধ্যাপকের কথ! আছে, তিনি জন্ুদীপের বছ ঘত্রিয়-কুমার ব্রাগ্মণকুমারকে বেদত্য় শিক্ষ! দ্রিতেন। গ্রাযগিটও-জাতিক-

ব্রাঙ্মণদিগেব অবনতি

বর্ণিত (২৫৭ ) রাজপুত্র আদর্শমুখ তক্ষশিলার যান নাই, গৃহে থাকিয়াই পিতার নিকটে বেদত্রয় আয়ত্ত কবিম্নাছিলেন। ফলতঃ জাতকের বসু আখ্যায়িকায় ক্ষতিয়দিগ্রের, বিশেষতঃ রাজপুভ্রদিগেব, এইবপ বেদীধ্যয়নেব পব্চিয় পাওয়া যাঁয়। তাহার! শিক্ষা-সমাপ্তিব পর গৃহে ফিবিতেন এবং পবিণ্ত বয্সমে প্রকৃত ব্রাহ্মণের তায় প্রজ্যাগ্রহণ-পূর্বক বানপ্রস্থ হইতেন। ইহাতে বোধ হয়, ক্ষতরিয়েবাও অঙ্গবে অক্গরে বর্ণাশ্রমধর্ম পাঁলন কবিয়া চলিতেন। কেশ পলদিত হইতেছে দেখিয়া মিথিলাবাজ মখাদেব [ মখাঁদেব (৯)] এবং বাঁবাণসীরাজ শ্রুতসোম [চুললঞুতমোম (৫২৫)] সংসার ত্যাগ কবিয়াছিলেন , বাবাঁণসীরাজ ব্রত কুন্বালপত্ডিতের [ কুদ্দাল (৭০) ] বিপুবিজয়োলীস দেখিয়া গ্রব্রাজক হইয়াছিলেন। জাতকের আরও অনেক আখ্যায়িকায় রাঁজাদিগের এইরূপ মুনিবৃত্তি অবলম্ধনের কথা আছে। কোন কোন বাঁজকুমাৰ গাইস্থাধর্ম পালন না করিয়াও আবণ্যক হইতেন। ঘুববাঁজ যুবপজয় [ যুবপ্রয় (৪৬০) ] পিতাঁৰ জীবদ্বশাতেই প্রব্রজ্যা গ্রহণ করেন) তেমিয় কুমাৰ জন্মাবধিই ভোগে অনাঁসন্ত ছিলেন এবং ষোডশবর্ষ বে গ্রত্রাজক হইয়াছিলেন [ মৃকপন্থু (৫৩৮) ]।

পালি সাহিত্যে ষে ক্ষত্রিয়দিগের উল্লেখ আছে, কেবল যোদ্ধা বলিলে তাহাদের গ্ররুত পরিচয় দেওয়। হয় না, কাঁবণ অন্যান্য বর্ণের লোকেও যুদ্ধবৃত্ত অবলম্বন করিভ এবং “যৌধ নাঁমে অভিহিত হইত। জাতকের ক্ষ্রিয়েরা দ্বঁজন্য, অর্থাৎ তীহাঁর! রাজা না হইলেও বাঁজকাধ্যনির্বাহেব জন্য বাঁজার দক্ষিণহস্তন্বরূপ ছিলেন। এইজন্তই বোঁধ হয় জাতকের কোন কোন আখ্যায়িকায় প্াজা” প্রিয়” শব একার্থেই প্রযুক্ত হইয়াছে [দৌমদত (২১১), রথলট্ঠি (৩৩২), মণিকুণ্ল (৩৫১), কুনআষপিণ্ড (৪১৫), ব্ুম্গল (৪২০ ), গণ্ডতিও (৫২০), ত্রিশকুন (৫২১)]। পালি অভিধানে 'রাজা' শবের যে ব্যাখ্যা দেখা যায়, তাঁহাতেও এই প্রয়োগেরই সমর্থন হয়। প্রাজাঁনো নাম পঠব্যা নাজ] পদেশরাজা মগ্ডলিকরাজ! অন্তরভোগিকাঁ, অক্থদসূসা মহামতা যে বা পন ছেজ্জভেজ্জং অনুদাসস্তি এতে বাঁজানো৷ নাম”-_অর্থাৎ 'রাঁজা' শবে পৃথিবীপতি,

গ্রদেশপতি, মণ্ডব, গ্রত্যন্তের শীসনকর্তা, বিচারকর্ভা, মহামাত্র এবং যাহারা

প্রাণদওবিধাঁন করিতে পারেন, এই সকল ব্যক্তিকে বুঝায়। বাজা বা রাজন্ঠগণ দেশের শাঁসনকার্ধ্য নির্বাহ করিতেন, বিদ্যার্জনে শীলরক্ষণেও পশ্চাৎপদ ছিলেন না) কান্বেই তাঁহারা সমাজে উচস্থান লাভ করিয়াছিলেন। তাহাদিগকে অন্-সংস্থানের জন্য কোনরূপ হীনবৃত্তিব আশ্রয় লইতে হইত না। গরদিকে ব্রীক্ঘণদিগের মুধ্যে অনেক অনাচাব দেখা দিয়াছিল। তাহাদের কেহ কেহ অসিজীবী হুইয়। সৈনাঁপত্য গ্রভৃতি উচ্চ সৈনিকপদ লাভ করিতেন [ শরতঙ্গ (৫২২)]। ইহ! তত দোষাবহ নহে, কারণ পূর্বে প্রোণাঁারধ্য প্রভৃতি পথ দেখাইয়! গিয়াছিলেন; কিন্ত এই অসি নইয়াই জাতকবর্মিত অনেক শ্রক্ষণ আটবি-আঁরঙ্ষিকের কাজ করিতেন, অর্থাৎ সার্থবাহদিগের দস্থ্যতয় নিয়াকরণ

0৬০

পালি সাহিতো তির শষে কি বুঝায়

আর্যাবর্ছের পূর্ধথগ্ডে আদণের অযনূভি

17৩

বদ্ধ প্রস্ৃত মাক্ষণ , উদদীচ্য বাণ

জাভকে পুবাতত্‌।

বিয়া অর্থোপীজ্ৰন করিতেন দশবরা্ষণ (৪৯৫))], কখনও বা নিজেরাই পথিকদিথের সর্কস্বাপহরণ প্রীণাস্ত করিতেন [ মহীষ্ (৯৬৯)]। তাযদেব কেহ কেহ অত্যন্ত অর্থলোভী ছিলেন [শৃগীন (১১৩), হুীম (১৬৩), জ্যোৎা (৪৫৬)]3 কেহ কেহ বৈইদিগের তায় স্হত্তে হলকর্ষণ করিতেন [মোমদৃত্ত (২১১), উবণ্ব (৩৫৪)]) পণ্যভাণ্ড মাথায় লইয় গ্রামে শ্রীমে ফিরি -কবিয্টী বেড়ীইতেন [গর্গ (১৫৫)]$ বিক্রয়ের জন্য ছাঁগ মেষ পাঁলন করিতেন [ধুমকাবী (৪১৩), দশ- ্রান্ষণ (৪৯৫)]) কুত্রধীরের কীজ ক্বিতেন [স্পন্দন (8৭৫), অহিত্ত্িক হইন্গা জীবিকানির্ধাহ করিতেন [চীল্পে্ন (৫০৬)], ব্যাধবৃত্তি অবলম্বন করিতেও কুছিত হইতেন না [চুল্গনন্দিক (২২২)]। * তবে এই মকল হীনকর্ধা ত্রান্ষণ বর্তমানকাঁলেব ব্ণতরাম্নণদিশের স্থানীয় ছিলেন কি না তাহা! বিবেচা।

ফলিত জ্যোতিষ, সামুতিক বিদ্যা, ইল্জীন বিদ্যা প্রভৃতির ব্যবহার বা অপব্যবহীব করিয়াও ব্রা্ষণেবা ধনৌপার্তন করিতেন। তখন নৌকের বিবাস ছিন যে বাস্বিদ্যাবলে বাস্ভূমির কোন অংশে অমঙ্গলকর শল্য প্রোথিত আছে কি না জীনিতে পারা বাক [ শ্রীমপিচও (২৫৭), জুকচি (১৮৯), অসিব আছাঁণ লইয়া উহাব ব্যবহারে শুত বা অশুভ হইবে বলিতে পারা যায় [ অমিলক্ষণ (৯২৬)]) গ্রহাদির অবস্থান দেখিয়া কিংবা অঙ্গলক্ষণ পবীন্ষ] করি! ভাগ্য গণিতে গাঁরা যায় [ পঞ্ধীযুধ (৫৫), অলীনচিত্ত (১৫৬), নানাচ্ছন্দ (২৮৯)]। ব্রাঙ্গণেরা এই সকল বিদ্যা শিথিতেন, কেই কেহ উৎকোচ গাইলে, কিংবা অন্য কোন স্বার্থমিন্ধির জন্য, জানি ভনিয়াও মিথ্যা গণনা করিতেন [ নক্ষত্র (৪৯), অনিলক্ষণ (১২৬ ), কুণাল (৫৩৬) 7 এবং ধনী লোকে হুংস্বপ্র দেখিলে শীন্তি-বস্তানের ঘটা করি গ্রচু অর্থ পাইতেন [মহাস্বপ্ন (৭৭), লৌহকুত্তি (৩১৪) ]17+ ব্রা্ধণেরা যে নকল হীনবৃত্তি অবলম্বন কবিতেন, দশরা্ণ-জীতকে (৪৯৫) তাঁহার এক সুদীর্ঘ তালিকা আছে? ধীহারা রাজকার্যে নিযুক্ত থাঁকিতেন, তাহারাও অর্থলৌতে কিংবা জধ্যাবশে সমষে. সময়ে নাঁনারপ ু্ধাধ্য কবিতেন [ পদকুশল-মাণৰ (৯৩২), খওহাঁন (৫৪২), মহাউন্নার্ন (৫৪৬)]। এই বমস্ত পর্যালোচনা কবিনে মনে হয় যে, তখন আর্ধযাবর্ডের ্রীচ্য- খণ্ডে অনেক ত্রাণ ঘোব বিষদ্ী হইয়াছিলেন এবং আধ্যাত্মিক উন্নতি অপেক্ষা শ্রহিক শ্রশ্বধ্টেই অধিক আসক্তি দেখাঁইতেন।

রামর্শচবিত্রের অপকর্ষনন্ধে উপবে যাহা বলা হইল, তাহা বৌদ্ধদিগের হাঁতে অতিরজিত হইয়িছে সন্দেহ নাই , কিন্তু অতিরঞ্জনের মধ্যেও যে সত্যের আভাঁস

* হুচ্ছকফটিকে আনয়া একজন চৌরবিদাবিশার ত্াহ্পৃকেও দেখিতে গাই? 1 বাহার! বদের ফলাফল ধণনা করিত, তাঁহাদের নাজ ছিল হদ-পাঠক [ কুখাল (০১) ]1

বর্ণে বিবাহ।

পাওয়া যা না, এমন নহে। সম্ভবতঃ মগ প্রভৃতি প্রাচ্য অঞ্চলের ত্রাক্মণদিগের মধ্যেই এইবপ চবিভরত্রংপ দেখ! দিয়াছিল। ইহাঁদিগকে ব্রাহ্মণ ন। বলিয়া “বন্ধ বন্ধ বল! উচিত। ব্রহ্গবন্ুভূমি' বলিয। গ্রাচীনকালেই মগধেব একট! দুর্নাম হুটয়াছিল। বৌদ্ধ লেখকেরা এই সকল ব্রদ্ববন্ধুবই চবিত্রহীন্তার গ্রাতি কটাক্ষ করিয়াছেন; ষীহারা প্রকৃত ব্রাঙ্গণলব্দণ-যুক্ত, তাহাঁদিগের নিন্দাবাদ করেন নাই, বরং প্রশংসাই করিয়াছেন। পালি দাহিত্যে প্রশংসার্থ ব্রাহ্গণদিগের আনেকে উদীচ্য অর্থাৎ উত্তবদেশেব ত্রাঙ্গণ নামে পবিচিত [সত্যংকিদ (৭৩), মহাস্বপ্ন (৭৭ ), ভীমদ্নে (৮* ), স্থুরাপান (৮১), মল (৮৭), পরসহত্ন (৯৯), তিত্তিব (১১৭), অকাঁলরাবী (১১৯), আমর (১২৪), লানুষ্ঠ (১৪৪), একপর্দ (১৪৯), শতধন্দমী (১৭৯), শ্বেতকেতু (৩৭৭), নলিনীকা৷ (৫২৬), মহাবৌধি (৫২৮)]। উত্তরদেশ বলিলে উদ্তবেব নহে, উত্তবপশ্চিমের অর্থাৎ ব্রদ্ধাবর্ভীদি পবিভ্রভূমির বুঝিতে হইবে জাতকেব উদীচ ব্রাক্মণেবা কুক, পর্ণল প্রভৃতি দেশ হইতে আসিয়া কাশী, কোশল, মগধ প্রভৃতি অঞ্চলে বাঁস ববিয়াছিযেন, এবং

0/%

শাননিরদিষ্ট বর্ণাশ্রমধন্্ব যথানিয়মে পাঁলন করিতেন। বৌদ্ধের! শুদ্ধাচার ব্রাঙ্মণ

দিগকে সম্মান করিতেন) শ্রমণ, ত্রাক্গণ উভয়েই তাহাদের নিকট সমান শ্রদ্ধা- ভান ছিলেন [ মছিলামুখ (২৬), মৃদুলক্ষণী (৬৬) ]। ধর্মপদের ব্রা্গণবর্থে ওদাচার ব্রাঙ্গণেব লক্ষণ নিরদষ্টি হইয়াছে জাতকে ঘত অধ্যাপকের বর্ণনা আছে, তাহার! সকলেই ব্রাঙ্মণ) কোথাও কোন ক্ষতি অধ্যাগক দেখা যায় না।

পুরাকালে ব্রাঙ্গণদিগ্নের ষে চার্সিটা বিশিষ্ট অধিকার ছিল, তাহাদের মধ্যে একটার নাম 'অবধ্যতা।' জাতকে কিন্তু দেখা যায়, অপরাধ-বিশেষে বরাপ্মণদিগ্রেবও প্রাণদণ্ড হইত [ বন্ধনমোক্ষ (১২০), পদকুশপ-মাঁণব (৪৩২) ]। ব্রাহ্মণদিগে এই অধিকারলোপ বৌদ্ধ গ্রভীবের ফল কি না ইহা বিবেচনার বিষয়। মৃচ্ছকটিকনায়ক চারুদত্বের বিচারকাঁলে বিচারপতি রাজাকে শ্মরণ কবাইয| দিয়াছিলেন যে, রা্ষণ অবধ্য ; তথাপি রাজা তাহার গ্রাণদপ্ডীজ্ঞা দিয়াছিলেন।

ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয়দিগের মধ্যে বুক্তের বিশুদ্ধতা রক্ষার জন্য সবিশেষ যন» ছিল। অনেক আখ্যাগ্রিকীতে অন্যান্য জাতির মধ্যেও সমজীতিকুল হইতে পাত্রীগ্রহণের গ্রধা দেখা যায় [শুগগাল (১৫২), অসিতাভ্‌ (২৩৪), উর্গ (৩৫৪), সুবর্ণসূগ €৩৫৯), ফাত্যারনী (8১৭) ইত্যাদি]। তবে অসবর্ণ-বিবাহ যে একেবারেই ছিন না, ইহ বলা! যাঁয় না। কোন কোন জাতকের বর্তমান অতীত বস্তু উভয় অংশেই এই প্রথার উল্লেখ আছে ব্রাঙ্গণের গুঁরসে গণিকাগর্ভজাত উদ্দালক ্রা্গণত্ব পাইয়াছিলেন [ উদ্দালক (৪৮৭)], বাঁজাবাও সময়ে সময়ে *ন্রীরদ্ং ছুছুলাদপি” সংগ্রহ করিতেন। কোশলরাজ প্রসেনজিৎ মালাকাঁর-কন্যা মঙ্লি- কাকে বিবাহ করিয়াছিলেন [ কুজাষপিও (৪১৫) ]9 বাবাণসীরাজ বরন্গদত্ত এক াষ্টহারিনীকে মহ্বী করিয়াছিলেন [ কাষ্ঠহারী (৭)]1 বাহ্‌ (১৮)৩ জুঘাত (৩০৬ ) জাঁতকেও রাজাদিগের এইরূপ খাঁষখেয়ালির ক্ষখ। জাছে। 'কিছ্

ফুড অপ বাধে ব্র্ণেষ প্রাণদও !

সবর্ধে বিবা

(০

[তাভিমান।

গৃহণততি।

জাতকে পুঝাততু।

লোকে যে এনপ বিবাহজীত নতানফে অবজ্ঞার চক্ষে দেখিত, ভদ্রশীল জাতকের (৪৬৫) গ্রত্যৎপন্প বন্ত হইতে তাহা৷ বেশ বুঝা যায়। শাক্যবংণীয় মহানামার রসে নাগমুণ্ডা নারী দাসীব গর্ভে বাসভ-ক্ষত্াব জন্ম হয় এবং প্রসেনজিৎ খষ্ভাফে শাক্যকুলজাতা মনে করিয়া বিবাহ কবেন। বাসভক্ষভিয়ার পুত্র বিন্নচক খন কপিলবস্ততে মাতুলকুলেব সঙ্গে দখা করিতে যান, তখন তিনি বে আসনে বসিয়াছিলেন, তাহ! অপবিত্র হইগ্াছে মনে কবিয়া শীক্যের! উহা! ছু" মি্রিত জলে ধৌত করাইয়াছিলেন। * বাঁসতক্ষত্রিয়া যে দাসীকন্যা, এই ঘটন। হইতেই প্রসেনজিৎ তাহা প্রথম জানিতে পারেন এবং তিনি বাঁসভক্ষত্রিয়া বিরনটক উভয়কেই পবিত্যাগ করিতে উগ্ত হন। বুদ্ধদেব তাঁহাকে বুঝাইয়াছিলেন, প্মহারাজ, মাতৃকুলের উতৎকর্ষাপকর্ষে কিছু আসিয়া যাঁয় না, পিতাব জাতিগোত্রই আভিজাত্যের পরিচায়ক।” কিন্তু বুদ্ধদেবের এই উদাবনীতি সমাজে পরিগৃহীত হয় নাই। ধীহাঁব! “অসম্ভিরক্ষত্িয়বংশজীত” [ শোণক (৫২৯) ], অর্থাৎ ধাহাদের পিতৃকুল মাতৃকুল উভয়ই বিশুদ্ধ ক্ষত্রিয় (মাঁতাপিতূস্থ খতিয় ), তাহাবাই ক্ষজিয়সমাঁজে শ্রেষ্ঠ কুলীন বলিয়া বিদিত ছিলেন [কুকুর (২২) ত্রিশকুন (৫২১)]। ্রাঙ্গণদিগের মধ্যেও ধাহাঁদেব পিতৃকুলে মাতৃকুলে উর্ধতন সপ্তম পুরুষ পর্যন্ত জাতিগত কোন বলঙ্ক স্পর্শে নাই, তাহাবাই শ্রেষঠকুলীন বলিয়া গ্রতিপন্ন হইতেন।

্রা্মণ ত্রিয়দিগের জাত্যভিমা'ন সম্বন্ধে কোন কোন আখ্যায়িক। বেশ ফৌতুকাবহ। উপদাট নামক এক ত্রাম্মণ পাছে যেখানে কোন শৃদ্রের শব ঘগ্ধ করা হইয়াছে, এমন কোথাও তীহার সৎকার হয়, এই ভয়ে উদ্বিগ্ন থাঁকিতেন এবং পবিত্র শশান খুঁজিয়! বেডাইতেন [ উপসাচ (১৬৬))। শীক্বংশীয় মহানামা যে কৌশলে নিজের ওরসজাত1 কন্ঠা বাসজক্ষত্রিয়াব সহিত একপাত্রে অন্ন গ্রহণ কর! হইতে অব্যাহতি পাইয়াছিলেন, তাহাও বেশ হান্তজনক [ ভদ্রশীল (৪৬৫)]1

কোন কোন জাতকে 'ব্রাঙ্গণ শবেব পর 'গৃহপতি' শষেব প্রয়োগ আছে [ছূর্মেধো (৫০), গঞ্চগুরু (১৩২), মহাপিঙ্গল ২৪*)]। যিনি গৃহস্থ পুত্র লইয়। সংসারযাত্রা নির্বাহ কৰিতেছেম, গগৃহপতি” শবের এই অর্থ ধৰিলে সর্ববর্ণেব লোঁকেই গৃহপর্তিশ্রেণীভুক্ত হইতে গাবেন। কিন্তু পালি-সাহিত্যে গৃহপতি শবটা বোধ হয় বিশিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হইয়াছে। শ্রেঠী অনাথপিওদ গৃহপতি। সৌমনস্য-জাতকে (৫০৫) এক বণিক্‌ গৃহপতির পৰিচয় পাওয়া

* এইরূপ অপমানিত হইয়। বিক্ক যে ভীষণ গ্রতিজ্ঞ। করিয়|ছিলেন--আমি রাজা হইলে এই আমন তোদের বঠরক্তে আবার ধোওয়াইব--তাহা! তিনি অক্ষরে অক্ষরে পালন করিয়াছিলেন। 727571077 নগরের গ্রীক্‌ অধিবাসীরা যখন রোঁমকদূত 12051077105 এর শল্র বহে মল নিক্ষেগ করিয়া ছিজ, তখন সেই বীরপুরুষও প্রতিভ্ত| করিয়াছিলেন, "এই পরিচ্ছদ তোমাদেরই রক্তত্তে ধৌত হইবে।” কিরূপে 9০7৫50/00এর যুদ্ধে এই প্রতিজ্ঞা পূর্ণ হয়, তাহা পুরাবৃত্ব-পাঠকের হৃবিদিত |

নীচ জাতি।

হাঁ; জুতনো-জাতব-বর্ণিত গৃহপতি এমন ছুঃস্থ ছিলেন যে তাহার পুত্রকে মজুর্‌ খাটিয়া সংসাব চালাইতে হইত। ইহাতে মনে হয় “গৃহপতি্পদ কুলক্রমাগত ছিল এবং গৃহগতিদিগের মধ্যে ধনী, দরিদ্র মধ্যবিত্ত সর্বাবস্থার লোকই দেখা যাইত। বাহার! “শ্রেঠী' নামে বিদিত, তীহাঁরাই গৃহপতিসমাজে সর্প্রধান ছিলেন। ইহারা যে বৈশাদিগের স্থানীয়, অন্ুমানও অসঙ্গত নহে, কাবণ ক্ষত্রিয় ব্রাঙ্গণদিগের পরেই 'গৃহপতি'দিগের উল্লেখ দেখা যায়। ্া্দণ সসত্রিয়দিগকে বৌধ হয় রাজ্কর দিতে হইত না) গৃহপতিরা কর দিতেন।

আব এক শ্রেণীর লোক 'কুটুদ্িক+ নামে বর্ণিত। কুটুিকেব গৃহপতি- দিগেরই স্থানীয় ছিলেন বলিয়া মনে হয়। *ধাহাঁবা৷ নগরবাসী, তাহার] সম্ভবতঃ কুদীদজীবী ছিলেন [শতগ্র (২৭৯) ভাজ (৩২০)]) এবং ফেই কেহ ধান্যাদি শঙ্য ক্রয় বিক্রপ্ন কবিতেন [ শ্যালক (২৪৯)]। মুনিক-জাতকে (৩০) দ্বেখ৷ যাঁয় কোন নগববাসী কুলপুত্র নিজেব এক পুত্রেব সহিত এক পল্লীবাসী কুটুথিকেব বন্যাব বিবাহ দিয়াছিলেন। পন্লীবামী কুটু্িকেবা বোধ হয় বর্তমান- কালেব তানুকদার বা৷ যোত্দারঘিগের স্থানীয় ছিলেন।

হিনুষমাজেব চতুরবর্ণেব মধ্যে ত্রাঙ্গণ, ক্ষত্রিয় বৈশ্যদিগেব কথা৷ বলা হইল। জাতকে “বৈশ্য শবেব প্রয়োগের ন্যায় শূদ্র' শব্দের প্রয়োগও নিতান্ত বিরল। যতদূব স্মবণ হয় তাহাতে কেবল ছুইটী জাতকে বৈশ্য” শব গাইয়াছি £--দশবরাঙ্ষণজাতকে (৪৯৫) বৈশ্য অস্বষ্েব! কৃষি, বাঁণিজ্য ছাগ গালন করে এবং জুবর্ণলোভে আপনাদের কন্যাদিগকে অন্যের ভোগে নিয়োজিত কবে এই কথা বলা হইয়াছে, এবং বিশ্বন্তব-জাতকে (৫8৭) একটা! বৈশ্য-বীথিব উল্লেখ আছে। শুদ্র শব্দেব প্রয়োগ একেবারেই নাই, ছুই একটী আখ্যায়িকায় [ যেমন উপসাঢ-জাতকে (১৬৬)] 'বুষল” শব্দ দেখা যাঁয়। কিন্তু ঘন” শবে শূদ্র এবং চগ্ডাল প্রভৃতি অন্তজ আতিও বুৰায়। বেণ, পুর্দ, চগ্ডাল প্রভৃতি নীচজাতি মনৰ মতে শূত্র নহে, বর্ণসন্বর। ফলতঃ খাঁটি শূদ্র বলিলে যে কি বুঝাঁইত, তাঁহ! নির্ণয় কব! কৃঠিন। এখনও যাহার! শূতর- গদবাঁচ্য, তাহাবা প্রায় সকলেই 'অন্তবগ্রভবঃ।

সুত্তবিভঙ্গে নলকাঁব, কুস্তকার, তন্তবায় (পালি পেসকা ), চর্মকাঁব, নাপিত, বেণ, র্থকাঁর, চাল, নিযাদদ পুকদ এই কয়েকটা অন্তযজ জাতির নাঁম আছে। ইহাদেব মধ্যে প্রথম পাঁচটা হীনশির্লী এবং শেষের পাঁচটা হীনজীতি বলিয়া বর্ণিত হইয়াছে। বিজয়ী আর্য্যেবা যখন সভ্য সঙ্গতিপন্ন হইয়াছিলেন, তখন “হীন, ব্যবসায়গুলি অনার্্দিগের দ্বাবাই সম্পাদিত হইত এবং ঘোঁকে সাধারণতঃ বংশান্থক্রমে এক একটা ব্যবসায় কবিত বলিয়! জাঁতিবিভাঁগ ব্যবসায়মূণক হইয়াছিল। কাঁজে কাঁজেই হীন জাতিব ব্যবসায় হীন ব্যবদায় এবং হীনব্যবসারী হীন্জতি বলিয়া গ্রণা হইয়াছে। বস্তুতঃ কোঁন ব্যবসায়ই

হুটুবিকঃ

শু

নীচ জাতি।

১৯

জাতকে পুরাতন।

থে শ্বভাঁকতঃ হীন, ইহা! বলিবাঁৰ কৌন কারণ নাই, কারণ জমাজিবক্ষার অন্য সকল ব্যবসায়েরই একটা না একটা উপযোগিতা আছে।

উল্লিখিত জাতিনিচয়ের মধ্যে নলকার, চর্মরার চগ্ডাল এখনও সমাজের নিয়তম স্তরে অবস্থিত। কুস্তকার, তন্তবার নাপিত উন্নতিলাভ করিয়! আচরদীয় শ্রেণীভুক্ত হইয়াছে। অপর করেকটা জাতির শ্বতন্ত্র অস্তিত্ব নিরূপণ ক্ষরা বর্তমান সমক্বে সহজ নহে মন্থুর মতে বেণদিগের বৃত্তি 'ভাওবাদনম্, অর্থাৎ ইহারা খোল, কবতাল ইত্যাদি লইয়া বাদ্য করিয় বেড়াইত। ভেরীবাদ (৫৯) শখ (৬) জাতকে আমরা এই শ্রেণীৰ লোক দেখিতে গাই। মনন বলিয়াছেন (১০1৪৯) পুক্কসেরা “বিলৌকবধবন্ধন' দ্বারা, অর্থাথ যে কল জন্ত গর্থে থাকে (যেমন গোধা, শল্লকী ), তাহাদিগকে ধরিয়া মারিয়। জীবিক! নির্বাহ করে। ইহা নিষাদবৃত্তিবই বপান্তর। আমার মনে হয় বেণ, গুম, নিযাঁদ চগডঁল বর্তমানকালে এক সাধারণ পধ্যায়ভুক্ত হইয়! চণ্ডাল নামেই পরিচিত হইয়া আসিতেছে মন্ুসংহিতায় এবং জাতকে চঙ্ডালের স্থান অতি নীচ। ইহারা গ্রীমের বাহিরে থাকিবে, সাধুর! ইহাদিগকে সাক্ষাৎ অন্ন দিবেন না, ভৃত্য দ্বারা ভগ্ন পাত্রে অন্ন দেওয়াইবেন, দৈবব্মাদির অনুষ্ঠানকালে ইহাদের মুখদর্শন করিতে নাই) ইহারা রাত্রিকালে কদাচ গ্রামে ঝা লগরে প্রবেশ করিতে পারিবে না, ইহার! নগরাদি হইতে অনাথ শব বাহিব করিবে, প্রীণদণ্ড- গ্রস্ত ব্যক্তিদিগে শৃলারোপণীদি করিবে_চখীলের সম্বন্ধে মন্থর এই সকন উৎকট ব্যবস্থা। জাতকেও দেখা যায় চণ্ডীলেবা “বহিনগরে” বাম কবে [ আজম (8৭৪), মাতন্দ (৪৯৭), চিত্তসস্ৃত (৪৯৮)]। চপ্ডালপুত্র চিত্ত সম্ভৃত বাঁশ নাঁচান * দেখাইতে গ্ি্নাছিল, তাহাও উল্জয়িনীর প্রাকীবেব বাহিরে থাকিয়া। চগ্াল-্পৃষ্ট বাধু স্পর্শ করিনে দেহ অপবিত্র হইবে, এই আশঙ্কায় উদ ত্রাঙ্মণ শ্বেতকেতু বলিয়াছিলেন, “নল্স চণ্ডীল কাঁলকন্মি, অধোবাতং যাহি” [ শ্বেতকেতু (৩৭৭)]। নিতান্ত দানে পড়িয়াও চণ্ডালান্ন গ্রহণ রিলে বরা্দণেরা৷ মনের ছুঃখে প্রাণ পর্যাত্ত ত্যাথথ কবিতেন। বারাণনীর যোন হাজার বরা্মণ একবার না জানিয়! চণ্ডালেব উচ্ছিষ্ট তোভন করিয়াছিলেন। ইহাতেই তাহাদিগকে চিবদিনের জন্য অমাজচ্যুত করা হইগ্াছিন [ঘাতক (৪৯৭)]1 চণ্ীলান্ধের এইনূপ দোষের প্রতি ল্য বাথি়াই বুদ্ধদেব শ্বেতবেতু-জাতকের গ্রভ্যৎপন্ন বস্ততে বলিয়াছিলেন, ভিক্ষুদিগেব পক্ষে নিষিদ্ধ উপায়ে অন্লাত চণ্ডালের উচ্ছিষ্-ভোজন উভয়ই তুল্য।

চণ্ডালের সংস্পর্শে আঁসা দূরে থাকুক, তাহাঁব দর্শনেও মহ! অমগ্গল সুচিত

বংশনধোপনং-ইহা একপ্রকার জীডা। ইহাতে এমন কৌশলে আইুলের আগায় দাগ ছঁড় কথন হয় ঘে, এক জাঁদুন হইডে আর এক আজুলে বিংবায এক হাত হইতে অন্য হাতে লইযার বালে বাশখানি গডিছ] যায় না, ঠিক মেজাাবেই দাডাইকজ থাকে

হীনজাতি।

হইন। চৃইমর্গলিবা * শ্রেটিকভা [নাত (৪৯৭) ] উদ্যানকেধিব জন্ত বাহিরে যাঁইনাৎ কাঁলে গথে চণ্ডানকুলক্র নীতদকে দেখি অমন্গণ-নিবাঁকলণেব জন্ত গৃন্বোদক দি] চন্ছ ধুইয়া গৃহে ফিবিযাছিলেন এবং তাহার অন্থচব্রো মাতিঙ্কে দা্ণ গ্রহাব কবিদ্ধা নিঃসংজ্ঞ অবহাঁয় ফেপিয়া গিরাছিল। এই মাতই শেষে ত্রেঠার ঘারে ধব্ণা দিগ্া দুটমরনিকাকে গরীৰপে লাভ বরিরাঁছিলেন বটে, কিন্ত তাঁহা কবিতে গাবিভ্বাছিনেন কেবন তিনি বৌধিত্ব বলিযা, কেন না৷ বৌদধ- দিগের বিখাস যে বোবিমববদিগেন কোন নপৃমই ব্যর্থ হু না। চিন্ত সন্ভৃতকে (৪৯৮) দেখিয়াও উজ্তগ্লিনীর এক শ্রেঠিকনা এক পুরোহিতবন্তা। গন্মোদক দিয়া চচ্মু ধুইয়াছিলেন, এবং চওাঁলে দেখিয়াছিণ বণিয্া। তাহাদের জন্য যে খাঁদয-গানীয় যাইতেছিন, ভাঁহা অপবিত্র অগ্রাহ্য হই্লাছিল। আন্র-ভাতকে (8৭৪) লিখিত আছে, এক ব্রা্দণকুমার ইুজাঁল বিদ্যা শিথিবাব জন্য কোন চগ্ডানের দাসত্ব স্বীকান ববি্রাছিল; কি শেষে দলাবশতঃ লোকের নিকট গুরুর নাম গৌপন কনার তাহান সেই অধীত বিদ্যা বিদুণ্ত হুইয়াছিন। উপরে যে শ্বেতবেতুর কথ! বলা হইয়াছে, তিনি উগ্ডালের নিকটে বিচারে পান হ্ইয়া তাহাঁব ছুই পারের ভিতব দিগ গণিয়া গিল্লাছিনেন এবং লোকের নিকট দুখ মেখাইতে ন৷ পানি বাবাণদী ছাঁডিদ্া তদ্ষশিলার গিয়া আশ্রন্ন লইয়াছিলেন। শবক-জাতকে (৩০৯) কিন্তু দেখ৷ বায়, চণ্ডালদিগের মধ্যেও পাতডিত্য থাকিলে লোকে তাহাদের গ্রণ গ্রহণ কবিত।

চণ্ডালেবা৷ নগবের বাহিবে থাঁকিত, শিদিত লোকে সহিত মিলিতে দিশিতে পাঁবিত না; এই জন্য তাহাদেব ভাঁবাঁও ভদ্র-সদাঁজের ভাষা হইতে পৃথক্‌ ছিল। চিত্ত দন্ভৃত ত্রাঙ্গণ মাজিয়া তদ্শিলারন এক ব্রাহ্গণীচার্যেব গৃহে বিদ্যাভ্যান করিতেছিন; কিন্ব একদিন অসাবধানতাবশতঃ চণ্ডানভাবার কথা বনায় ধর! পড়িরাছিন।

কুস্তকাঁব-শিন্সেব হীনতাঁসঘন্ধে জাতকে কোন উল্লেখ নাই। ভীমসে- জীতকে (৮০) বোধিসব তত্তবামশিল্পকে “নাঁণক কন্ম” বলিয়াছেন। শৃগাল- জাতিকে (১৫২) বৈশীলীর এক নাপিত আপনাকে হীনজাতি' বলিগা বর্ণনা করিয়াছে। গদ্দমাল-জাতকে (৪২১) দেখা বাঁ, নাপিত গ্ঘাল প্রত্যেকবুদ্ধ হইরাও, রাজা উদয়কে নাঁম ধবির৷ ডাঁকিগ্লাছিন বলিয়া রাঁভমাতা! অত্যন্ত তু হইগ্লাছিলেন এবং “হীন জচ্চো৷ মলমজ্জনো নহাঁপিতপুতো” বলির! তাহাকে গালি দিয়াছিলেন। শৃরীল-জাতকে বর্মিত নাপিতের এই সকল কাজ দেখা যাঁ)--দে প্লাজা, বাজার অন্তঃপুবচারিণী, রাজপুত্র বাঁজকন্া- (৪০০) দেখা যায় যাহার! নিযিতের শুভাওুভ ফলে বিশ্বা বরে,তাহারা তিন শ্রেদীভে বিভক্তঃ-- দৃইমদমিক, শ্রতমদ্বলিক মৃষ্টসঙ্গনিক, অর্থাৎ যাহারা দুষ্ট পদার্থ হইতে শুভ লামা করে,

যাহার শ্রত শব হইতে শুভ আশ| করে এবং যাহারা পুষ্ট বা প্দৃষট দ্রব্য হইতে গুল আশ! কয়ে।

হ্‌

১/5

চঙান ভমা।

তত্তবার নণিভ।

১৮০ জাতিকে পুবাতিত।

দিখেব, কাহাব্‌ও দাঁড়ি কামাইত, কাহাবও চুল ছাটিত, কাহাঁবও বেণী প্রস্তুত করিয়া দিত। 'নাপিত' শ্দটা স্ব! ধাতু হইতে উৎপন্ন। সংস্কৃত "না", পাঁলিতে নিহা (বাঙ্গালা নাওয়।)। গিজন্ত করিলে ইহ! হইতে 'নহাগিত' পদ িদ্ধ হয়। ইহার অর্থ যে ন্ান করায়। এখনও হিন্দু সমাজে বিবাহাঁদি মান্গলিক কার্ধে স্নান করাইবাঁর জঙ্ নাপিতেব প্রয়োজন হয়; পশ্চিমাঞ্চলে 'নৌয়ারা' এখনও লোকের গায়ে তেল মাথায় হাত গ! টিপিয়া দেয়।

এই প্রকরণের প্রীরপ্তেই বলা হইয়াছে জাতিতে গৃহীব পক্ষে) প্রতাজক- দিগেয মধ্যে জাঁতিবিচার ছিন না। পরবর্তী প্রকবণে প্রব্রীজকদিগের বথ! আলোচন| করা যাইতেছে।

€খ) গ্রত্রাজক।

ধর্মের জন্য সর্কন্থত্যার্গ, এমন কি পুভ্রকলত্রাদিব মীয়াবন্ধনচ্ছেদন প্রধানত? পরণা। ভারতবর্ষেই দেখা যায়। যখন ধর্মের অন্য প্রাণ কান্দিয়৷ উঠিত, তখন লোঁকে

বিপুল খবর, বাজসম্পৎ পর্যন্ত পরিহার করিয়া! বানপ্রস্থ আশ্রমে গ্রবেশ কবিত। চিরজীবন গৃহে থাকিলে ধর্মার্জানে ব্যাঘাত ঘটে, স্বতদংযৌগে অিব ন্যায় ভোগের সঙ্গে সন্ধে বিষয়বাসনা! উত্তবোঁতর উদ্দীপিত হইয়৷ আত্মাকে অধোগামী ঘরে, এই অন্যই শীন্সকারেবা ছিজাতির, বিশেষতঃ ব্রাক্মণদিগেব, জন্ত শেষজীবনে ঘানপ্রস্থ ডৈচ্ষা আশ্রমের নির্দেশ করিয়াছেন।* জাতিক-পাঁঠে গ্রতীতি হয়, চতুয়াশ্রমাবলঘন-প্রথ! কেবল ত্রাহ্মণদিগের মধ্যে নহে, ক্ষক্রিয়দিগেব মধোও অত্যন্ত বলবতী ছিল। ইহাদের অনেকে যোল বংদব বয়দ্‌ পর্যন্ত গৃহে থাকিয়া লেখাপড়া শিখিতেল, তাহার পর বেদ, বেদাঙগ গ্রসৃতিব অধায়নে গ্রবৃত হইতেন। এই উচ্চশিক্ষা সমাণ্ড হইলে ব্রহ্চচারী গৃহস্থ হইতেন এবং দেবধণ, খধিধণ পিতৃণ পরিশোধানস্তর গৃহত্যাগপূর্বক বনে যাইতেন। বনমধ্যে আশ্রম নির্মিত হইত, খুধির| কখনও একাকী, কখনও অনেকে এক সর্ষে আশ্রমে থাকিতেন শ্রবং তণন্তানিরত হইয়া বহ্ধবিদ্যার চর্ কবিতেন। যীহাব| খধিদমাঁজে প্রধান হইতেন, লোকে তাহাদিগকে কুলপতি বা গগণশীস্তা” বলিত। তীহাবা উতৃত্ি ছিলেন এবং বন্ঠ ফলমূলেই ভ্বীবনধারণ করিতেন। হিমাঁণয় পর্বতে গ্গাতীরবর্ত স্থানই আশ্রমনির্মাণের পক্ষে প্রশন্ত বনিয়া পবিগণিত হইত। ]

মারীরাও মন্যাস গ্রহণ করিতেন [্ঠথোধ-যুগ (১২), অন্থশোচীয় (৩২৮)

চর কুভবার (৪০৮), চুললবৌধি (9৩) হস্তিপাঁল (৫০৯), শোপনন্দ (৫৩২),

হাম (৫৪০)]1 শোঁপনন্দ জাতকে ফবিত আছে যে এক অন্লীতিকোঁটি- বিতবসম্পন্ন আর্ষ্ণদম্পতী পুপব়কে প্রবল্যাগ্রহণে কৃতসহ্ক্প দেখিয়া সমস্ত ধন বিতরণপূর্ববক নিজেরাও তাহাদের অহুগারী হইঘাছিলেন। ভি 1885824িউ রক

* সাডুত গাছিতো কষতিযদিগেরও পৃহতযগ মুদিযুতিগহণের অনেক দৃষ্টান্ত আছে

অন্নবয়সে প্রবজ্যাগ্রহণ।

কিয়ৎকাঁল বানপ্রস্থ ধর্ম পালন কবিবাঁৰ পব ভিক্ষীবৃতিগ্রহণের প্রথা খা যায়, খধিরা "লবণ অল্সেবনার্থ” পর্বত হইতে অবতব্ণ কবিতেন , অং ভিক্ষা কবিতে কবিতে বাঁবাণসী প্রভৃতি নগরে উপনীত হইতেন। লোকালয় প্রত্রাগকের পক্ষে নিষিদ্ধ বনিয়। তীহাব! এই সময়ে সচবাচর নগর বা গ্রামে বহিংস্থ কোন উদ্যানে অবস্থিতি করিতেন। লোকের বিশ্বাস ছিল যে তগন্ত। ধ্যানবলে খবিদিগের অনেক অলৌকিক ক্ষমতা! জন্মিত, তাঁহার! খদ্ধি- সমপঙ্গ হইয়। আঁকাশমার্সে যাতায়াত করিতে পারিতেন। কেহ কোন প্রত্যেক- বুদ্ধের গ্রৃতি অব্ঞ1! দেখাইলে তাহার রক্ষা ছিল না, সে তৎক্ষণাৎ নিরয়গমন করিত [ ধর্দধ্বদ (২২৯)]।

ুদ্ধদেবের আবির্ভাষের বহু পূর্বেই ভারতবর্ষে অনেক সন্াসি-সশ্রদায় প্রতিঠিত হইয়াছিল। তিক্ষুসজ্য প্রতিঠিত হইলে নল্ল্যাসীদিগের সংখ্যা হঠাৎ আও বৃদ্ধি হয়। গ্রীক্দূত মিগাস্থিনিদ্‌ সন্যাসীদিগের সংখ্যাধিক্য দেখিয়া মনে করিয়াছিলেন, ভান্নতধর্ষের অধিষাঁসিগণ যে কদ্সেকটা প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত, 5০চ11851 অর্থাৎ পত্তিত স্দায় তাহাদের অগ্ঠতম। তিনি এই মশ্প্রদায়কে আবায় 'আাদণ, 'শ্রমপ, এই ছুই শাখায় পৃথক্‌ করিয়া যথাক্রমে হিন্দু বৌদ্ধ সন্যামীদিগকে নির্দেশ করিয়াছিলেন।

পিতৃণ পরিশোধের পূর্বে গজ গ্রহণ নিষিদ্ধ থাকিলেও অময়ে সময়ে ইহার ব্যতিক্রম ঘটিত। ফোন কোন ক্ষত্রিয় রাজকুমার যে অল্পনবয়সেই গৃহত্যাগ করিতেন, পূর্বে তাহা বল হইয়াছে। রঙ্মণদিগের মধ্যেও শিক্ষাসমাপ্তির পরেই প্্যাগ্রহণেব বহু উদাহরণ দেখা যায় [ সমৃদ্ধি (১৬৭ ), লৌমশকাাপ (৪৩৩), কষ (৪৪০), শোঁণন্ন্দ (৫৩২)]। বংশধরদিগের মধ্যে কেহ প্রত্রাজক হইলে ৰংশ পবিত্র হয়, এই বিশ্বাসে মাতা, পিতা অন্থান্ত অভিভাবকেরা, আপত্তি কৰা! দুরে খাকুক, বরং কোন কোন সময়ে উৎসাহ দিয়া বালকদিগকে গৃহত্যাগে প্রব- ধিত করিতেন [ চুর্শ্রেঠী (8), অশাতমন্ত্র (৬১), সংস্তব (১৬২)]। দিংহলদ্বীপেব ভদ্রনোকদিগের মধ্যে এখনও দেখিতে পাঁওয়! যায়, বংশের একটা সন্তানকে ভিক্কু্বে প্রবেশ করাইতে পাঁরিলে গৃহস্থ আপনাকে ক্ৃতার্থ মনে করেন। প্রজ্যাগ্রহণে পুধ্য হয় বলিয়৷ লোকে উৎকট ব্যাধিগ্রস্ত হইলে সময়ে সময়ে মানত করিত যে তাহার! আরৌগ্য লাঁত করিলে প্রবাজক হইবে [কাঁযনিরধিব্ (২৯৩)]।

আচার্ধযগৃহেও সমন্নে সমন্ধে খরুশিষোর মধ্যে প্রব্রজ্যা-সম্বন্ধে আলোচনা ইইত। লাভগর্থ জাঁতকে (২৮৭ ) দেখা যা শিষ্য আচীর্যযকে জিপ্তাস! করিয়া, ছিল, লাতের উপায় কি? এবং আচার্য যে উত্তব দিয়াছিলেন, তাহাতে সন্থট না হইন্থা বলিয়াছিল

ভঙ্গি গৃহ; ভিক্ষাগাত করিয়া! ধারণ দিশ্চম লইব আমি প্রব্রল্যা-শরণ |

ভিক্ষাবৃতি করি খাব , তাও ভাল ধলি। অধর্সের পথে যেন কতু নাহি চলি।

৯১৪

মিগাছিনিসেয বিবরণীতে মনাসীদিগের উল্লেখ।

আ্লবযমে ুত্রজযাএহণ।

নীচজাতিব অনল)

স্জাব অভি-

থেকে প্রজার গনুমোদন।

জাতকে পুরাতত্ব!

ব্রাহ্মণ ্ষত্রির ভিন্ন অন্ঠান্ত জাতিও গ্রব্রজ্যা লইতেন। কল্যাঁণ-ধর্ম- জীঁতকের (১৪১) বোধিদত্ব বাবাণসী-শ্রেগ্ঠী বন্ধনাগাব-জ্রাতকেব £২০১) বৌধিসত একজন দবিদ্র গৃহপতি ছিলেন এবং ইহাঁব৷ উভয়েই সংসার ত্যাগ করির। গিয়াছিলেন। হুধাভোজন-জতবের (৫৩৫) মৎদবিশরেষ্টি মহাবিভবদষ্পন্ হইয়াও প্রত্রজ্যা লইরাছিলেন।

জাতববর্ধিত গ্রত্রাজকদিগেব মধ্যে নীচজাতীয় লৌকেরও অভাঁব নাই। কুদ্দালপপ্ডিত (৭০ ) ছিলেন পর্ণিক$ মাতপ্দ (৪৯৭), চিত্ত নস্ভূত (৪৯৮) ছিলেন চণ্ডাল এবং ছুকুলক | শ্তাম (৫৪০ )] ছিলেন নিষাঁদ!

(গ) রাজা

পুবীবৃত্তবিদের| বলেন অতি প্রাচীনকালে ব্াজপদ বংশগত ছিল না)

লোঁকে ধাঁহাকে সর্ধাপেক্ষা উপযুক্ত মনে" কবিত, সমাজবক্ষাৰ জন্ত তাঁহাঁকেই আপনাদেব “বিশপতি, বা “বিশাম্পতি, বপে নির্বাচিত করিত। উলূক জাঁতকেব (২৭) অতীতবন্ততে যে জনশ্রুতি লিপিবদ্ধ রহিয়াছে, তাহা এই মতেরই সমর্থন কবে। তদনুসারে পৃথিবী আদি বাজ! "মহাঁসম্মত” অর্থাৎ ধীহাকে সর্বসাধারণে বরণ ববিরাছিল। উত্তর কালে রাঁজপদ বংশগত হইয়াছিল; রাজারা সময়ে সমরে অত্যাগীবও কবিতেন; কিন্তু কি বাঁমাঁযণ মহাভীরত, কি জাঁতকেব আখ্যারিকাঁবলী, হি, বৌদ্ধ, উভর সম্পরণীয়েব সাহিতোই দেখা যায় নূতন রাজার অভিযেব-কালে প্রক্ৃতিপুঞ্জেব, বিশেষতঃ অধাত্য প্রভৃতি ভনাস্ত ব্যক্তিদিগেব, অন্ুযোদন আবগ্ঠিক হইত।* পাঁদাগুলি (২৪৭) এবং গ্রামণীচণ্ড (২৫৭) জাতিকে বর্ণিত আঁছে যে অমাত্যেবা অভিষেকের পূর্বে বাঁজপুত্রদিগেব পৰীক্ষা গ্রহণ কবিয়াছিলেন। পাদাঞ্চলি এই পবীক্াঁয় অস্পহুক্ত প্রতিপন্ন হইর়াছিলেন বলিয়া অমাত্োবা৷ ভূতপূর্ব বাজার অর্থধর্ান- শাঁসককে বাজপনে বব্ণ কবিরাছিলেন কিন্তু বাজকুমাঁব আঁদর্শমুখ শিশু হইলেও অধীঘান্ত বুদ্ধিব পৰিচয় দিয়াছিলেন , এজন্য তাহাব অভিষেকে কাহাবও আপত্তি হয় নাই!

সগব বাজ মৃত্যু হইলে প্রজারাই অংশুগান্কে বাপদে ্ভিষিক্ত করিধাছিল নিখাধণ। বাল। ৪২), দশথ খখন মাকে যৌধরাজা দিবার সন্ঘল করেন, তখন তিনি "ব্রালণ। বলদুখা, গোঁব জানপদবর্পের” মত লইব|ছিলেন €যানাযণ। অধোঁধ্যা,২)। দশক্গথের দৃত্যু হইলে "রাঁজকর্তূগণ'' ন্ভাঙ্থ হইয। ভথনই ইন্ছীবুবংশীয় যে কোন উপযুক্ত ব্যুকিকে দিংহা- দনে বসাইবান প্রস্তাব কনিগ়্াছিলেন (রামীফণ। অযোধ্যা, ৬৭)। মহাভারুতেও দেখ! হার, ষ্যাঁতি প্রভার অভিীয় বিনা পুঁককে রাজ্য দান কঠিতে পাঙেন নাই। প্রলান়্ প্রথমে আঁপন্তি মরিয়াছিন যে দে ষছু অগ্যান্চ অগ্রজ বিশ্যহন থ|কিতে বর্ধ্র কলি পৃ রাজা হইতে গারেন দা দেহাভারভঃ আদি, ৮৫), কিন্ত হাতি পুকর অন্যানা পুজদ্দিণের দোষ প্রদর্দন কিক এবং শুত্রচাবের বরেহ দোহাই দি ভাহাদিণকে নিরস্ত করিয়াছিলেন। প্রতীগের ক্যেটপুত্র দেবাণি বুউরোণত্রন্ত ছিলেন লিঙ্গ প্রজার ভীহার বালাভিযেকে যে আপত্তি করিযাঁছিল, অন্ীপ তাহ নস ভরিতে শীল লাই) নহাভীয়, উদ্যোশ, ১৩৬ )

রাজশক্তি দীমাবন্ধ!

ধার্মিক রাজা দশবিধ সদৃণ্ডণে অলম্কৃত ছিলেন--দাঁন/শীল, পরিত্যাগ, অক্রোধ, অবিহিংলা, ক্গান্তি, আর্জব, মার্দব, তগঃ অবিবৌধন [ছুর্দেধো (৫০), রাজাববাদ (১৫১), কুরুধর্ম (২৭৬) ]। যীহাঁৰ এতগুলি গণ থাকে, তাহা ক্ষমৃত। সীমাব্ধ কবিবার জন্য কোন বিধিব্যবস্থাব প্রয়োজন হন না। কিন বাজচবিতে বিশ্বাম নাই, সময়বিশেষে কোন বাজা! হয়ত রাজা মহাঁপি্ধলেৰ ন্যায় প্অতি অধর্মচারী অন্যারপবায়ণ হইতেন, নিয়ত ইচ্ছামত পাঁপকার্ধ্ে রত থাকিতেন, এবং লোকে যেমন ইচ্ুবন্রে ই্ষু পেষণ কবে, মেইবগ নান! অত্যাচাবে প্রজাদিগকে পেষণ কবিতেন--তাঁহীদিগেব নিকট অতিমাত্রার বব আঁদীয় কবিতেন, সামান্য অপবাঁধে লোকে জঙ্ঘাঁদি অন্থচ্ছেন কবিতেন, এবং তাঁহাদের যথীসর্ধন্ব আন্মসাৎ কবিতেন” [মহাঁপিঘল (২৪০) ]। গণ্ততিন্দুজাতকেও (৫২০) অধার্দিকি বাঁজা তীহার অধার্থিক অমাত্য- দিগের অতি হৃদয়বিদারক অত্যাচাবের কথা৷ আছে।

রাজপক্তির উচ্ছ্‌ঙলতা নিবারণেরও অনেক উপাঁর ছিল। ধর্মশান্ত্ের নিদেখ, &* গু, পুবোহিত, আঁীর্ধ্য গ্রভৃতিব উপদেশ-_বাজাদিগকে সমস্ত মানিয়া চলিতে হইত। তৈনপাত্রজীতকে (৯৬) দেখা যায়, তন্ষণিলাবাঁজ ঠাহাব ধন্দিণী রাণীকে বনিয়াছিলেন,ভদ্রে, সমস্ত বাঁজ্যেৰ উপব আমার নিজেবই কোন গ্রতুত্ব নাই ; আমি সমস্ত প্রজাব প্রভু নহি; যাহারা রাজদ্রোহী বা! দুরাচাব, আঘি কেবল তাহাদিগেরই দণওবিধাঁন করিতে গাঁবি।” বিত্ত সকল রাজা শান্তের নিদেশ মাঁনিয়। চলিতেন না হিতৈষীর উপদেশেও কর্ণপাঁত কবিতেন না ইহাদিগকে কুমনত্রণা দিবাব লৌকেবও অভাব ছিন ন1; কাজেই প্রজাঁরা সময়ে সময়ে উৎপীড়িত হইত। বুদ্ধদেবেব সময়েই কৌধী্বীবাজ উদয়ন এনন মভানক্ত ছিলেন যে একদ! তিনি কাগ্ডাঁকাওভ্ঞানশূন্য হইয়৷ নিবীহ সবি পিখোলভবদাজকে যন্ত্র» দিবাঁৰ জন্য তীহাঁব মন্তকে একটা তাঁঅপিপীলিকাঁৰ বাদ ভাদদিয়৷ দিয়াছিলেন [ মাতন্ব (৪৯৭) ]1 ফোশলরাজ প্রসেনজিৎ উৎকোচ গাইয়া অবিচাব করিতেন তীহীকে উপদেশ দিবা জন্য বুদ্ধদেব উৎকোঁচগ্রাহী ভূগুবাজেব সমুদ্রপ্লীবনে বিনাঁশেব কথা বলিয়া ছিলেন [ ভূগ্ত (২১৩)]। জাতকেব অতীত বস্ততেও আমবা অর্থলোভী [ তঙুলনালী (৫)7, মগ্তাসক্ত [ ধর্মরধব্জ (২২০ ), কবাস্তিবাদী (৩১৩), চুল্ধর্পাল (৩৫৮), মিথ্যাবাদী চেদি (৪২২)] প্রভৃতি অনেক অথার্থিক বাঁজাৰ পরিচয় পাঁই। মন্ত্রীদিগের সৎপবামর্শে কাহীবও কাহাবও চবিত্র সংশোধন হইত [ তঙুলনালী (৫), রুথল্টঠি (৩৩২ ) কুদ্ধু (৩৯৬)], কিন্তু কখনও কখনও সর্যপই তৃভাবিষ্ট হইত, কোন দুষ্ট অমাত্য বা পুবোহিত, সছপদেশ দেওয়া দূবে থাকুক, বাঁজাকে ববং অধর্থেৰ গথেই

* মনুষংহিতায় (৮1 ৩৩৬) ভাপরাধী বাঁজাকে দও দিবার বাবস্থা আছে। মনু বলেন,

ইভব্ল ব্যক্তির ধে দও হইবে, নেই অপরাধে রাজ! ভাঁহার শতগুণ দণও ভোগ ফানবেন।

১175

জাডাবে হাডধর্থ।

বাআংৃক্ত

নীদাবদ।

১5

প্রশ্বাবিরোহ।

কাদর্শমে পুণ্য।

রজগদ বংশগত

উপরাজ।

বা"কুলে ব্য 1₹।

জাতকে পুবাতত্ব।

পরিচালিত করিতেন [ ধর্মধ্বজ (২২০ ) পাঁদকুশলমাণব (৪৩২)]। রাজার অত্যাচাব নিতান্ত দুর্বহ হইলে গ্রজারা কখনও কখনও বিদ্রোহী হইত এবং তাঁহীর প্রাণনাশ করিয়। নূতন রাজ! নির্বাচন করিত [সতংকিল ( ৭৩), মণিচোর (১৯৪ ), পাদকুশলমাণব (৪৩২)]। প্রসঙ্গে পাঠকেরা মৃচ্ছকটিক- বর্নিত “পালক” বাজার কথ! শ্মরণ করিয়া দেখিবেন। &* সতাংকিল পাঁদকুশলমাণব জাতকেঁ অত্যাচাবীদিগের প্রীণনাশের পর হাঁহারা রাজা হইয়া- ছিলেন, তাঁহারা ত্রা্ষণ। ধার্থিক রাজীবা সময়ে সময়ে উত্তরকালীন বিক্রমাদিত্য হারুণউর্ব-রলিদের ন্যায় ছন্সবেশে প্রজার অবস্থা! দেখিয়া বেডাইতেন এবং প্রজার! তাহাদের চরিত্রসন্বন্ধে কিরূপ আলোচনা করে, স্বকর্ণে শুনিয়া তাহ! বুঝিতে পারিতেন [ রাজাববাদ ( ১৫১), নানাচ্ছন্দ (২৮৯)]। লোকের বিশ্বাস ছিল, যে ধার্মিক রাজদর্শনে পুণ্য হয় [দূত (২৬০), কিন্তু রাজা অধার্থিক হইলে "অকালে অতিবৃষ্টি হয়, অথচ যথাকালে বর্ষণ হয় না, রাজো ছুরিক্ষ মহাঁমারীর হাহাকার উঠে, লোকে দল্যুতস্করদিগের উপন্রবে বিত্রত হইস্! গড়ে [ মণিচোর (১৯৪) কুরুধর্মা (২৭৬ 1] ?

রাঁজপদ শেষে বংশগত (কুলসন্তক ) হইয়াছিল [ তৈলপাত্র (৯৬), চুললপঞ্ (১৯৩ ইভ্যাদি]। কোন প্রতিবন্ধক ন! থাকিলে শিক্ষাসমাণ্তির পর রাজার জোট পুত্রই পিতার জীবদ্শীয় 'উপরাজ” এবং দেহান্তে রাজ! হইতেন | ছূর্মেধো (৫), তুষ (৩৩৮), কুল্মাষপিও্ড (৪১৫)]) পুত্র ন! থাকিলে ভ্রাতাকেও 'উপরাজ' করিবার প্রথা ছিল [ দেব্ধর্্ম (৬), অসদৃশ (১৮১), কামনীত (২২৮) ]11 জাতকের উপরাজ এবং সংস্কৃত সাহিত্যের “যুবরাজ” বোধ হয় এক।

রাজারা বন্ুবিবাহ করিতেন; কোন কোন রাজার যৌডশসহমর পড়ীর উল্লেখ আছে [ দশরথ (৫৬১ ), মহাপদ্ম (৪৭২), কুশ (৫৩১)]) ইহাদের মধ্যে যিনি প্রধানা (অগ্রমহিষী) ক্ষত্রিয় কুলোভবা, সাধারণতঃ ভীহাঁরই গর্ভজীতপুত্র রাজপদ পাইতেন। কিন্ত সময়বিশেষে অন্তঃপুবের ষড্যন্ত্রে বাঁ অন্ঠান্ত কাবণে এই নিয়মের যে ব্যতিক্রম নাঁ হইত তাহা নহে [ দেব্ধর্মা ৬, কাষ্ঠহারী (৭), দশবথ (৪৬১)]। বহুবিবাহ প্রচলিত ছিল বলিয়া সকল সময়ে অন্তঃপুবেব বিশুদ্ধতা বক্ষিত হইত ন|। মহাঁশীলবাঁন্‌ (৫১১, শ্রেয় (২৮২) গ্রন্তি জাতকে আমরা ভ্রষটা বাজপত্থীদদিগকে দেখিতে পাই। রাঁজা অপুত্রক হইলে তাহার

* বর্তক-জাতকেব (১১৮) বর্তমানবন্ততে বর্দিত বধাভূমিতে নীয়মান শ্রেঠিপুতরের আঁকম্সিক উদ্ধার এবং ঠিক মেই অবস্থায় সেই উপায়ে মৃচ্ছকটিক-লায়ক চাঁরুদত্তেষ উদ্ধার শয়ুণ করিলে অনুমান হয় যে শূদ্রক কবি জাতককারের লিকট কিয়ৎ পরিসাণে ধনী ছিলেন।

1 প্লাজার পুত্র ন| জন্সিলে প্রজারা কখনও কখনও বড় উদৃবিগ্ন হইত [ হুকচি (৪৮৯), বুশ (০৩১)]। মন্বন্ধে কুশ-জাতকে একট! অভুত ব্যাপার দেখিতে পাওয়া যা়। বাঁজা শ্রজাদিশের অনুরোধে রাশীগিগকে অধীর গরাইক়স্চছন্দবিহারের জন্য ছাঁডিয। দিতেন এবং এই উগাঁয়ে কোন রাণীর গর্ভে যি কৌন পুত্র জন্মিত, তাহা হইলে তাঁহাকেই রাজপদ দেওয়!

হইত। প্রাচীনকালে হিুসদাজেও ক্ষেত্র পুত্র উৎপাদন করিবার প্রথ| ছিল। কুশ জাতকের বৃত্তান্ত ঝোধ হয় তাঁহারই অতিরগ্রন।

ক্মজিয়েতর বর্ণের রাজাতডি।

ধাঁনাতাকেও ঝাজপদ দেওয়। হইত [মৃদ্রপাঁণি (২৬২), মহাঁজনক (৫৩৯)]। জাতকে এরণ অবস্থায় বাঁজার ভাগিনেয়ের বা ্রাতুপ্পুভরের সহিত কন্যার বিবাহের উন্নেখ আছে [দিনক্ষণ ১২৬), মৃহ্গাণি (২৬২), মহাঁজনক (৫৩৯)]। ইহাতে দনে হয়, 'অদপিও। তু যা মাতুরদগোত্রা যা পিতুঃ, মা প্রশত্তাদ্বিদাতীনাং দাঁরবর্্মণি নৈথুনে, মনু এই ব্যাবস্থা বাঁজকুলে অবশ্ঠগ্রতিপাল্য বনিয়া গৃহীত হইত না। কেবল অপুত্রক বাজার কন্যার সন্ধে নহে, অন্যজও এরূপ বিবাহ হইত। বিশ্বস্তর তাহার মাতুল- বন্ঠাকে-বিবাহ করিয়াছিলেন। বর্ধাকিশৃকর (২৮৩) এবং তক্ষকশৃকরজাতকেব (৪৯২) বর্তমানবন্ততে লিখিত আছে, অজাতশক্রর সহিত তাহার মাতুলবন্তা বন দেবীর বিবাঁহ হইয়াছিল। » উদয়জাতকে (৪৫৮) বর্ধিত আছে, রাঁজা উদয়ের সহিত্ত তাহার বৈমাত্রেয় ভগ্নিনীর বিবাহ হইয়াছিল এবং তীহার মৃত্যু হইলে এই রমণীই ব্বাজ্যশাসন করিয়াছিলেন। রাম যখন বনগননে ক্কৃতসক্কগ হন, তখন বমি সীতাকেই দিংহাসনে বসাইযাঁব প্রস্তাব ববিয়াছিলেন) কিন্তু সীতা পতির অনুগমনে স্থিরপ্রতিজ্ঞা ছিলেন বলিয়া! এই সঞ্চয় পবিতাক্ত হয় (রামায়ণ, অযোধ্যা, ৩৭)। ইহাতে মনে হয় গ্রাচীন ভাবতবর্ষে বম্ণীরীও সময়ে সময়ে স্বাধীনভাবে রাজত্ব কবিতেন। মৃতরাজা নির্বংশ হইলে বংশীস্তব হইতে জা নির্বাচন করা! হইত। কোন কৌন জাতিকে সম্বন্ধে একটা অদ্ভুত প্রথ! দেখা যায়। মৃতরাজার সকার সমাপ্ত হইনে পুরোহিত ভেরি বাঁজাইয়া ঘোষণা! করিতেন, "আগামী কল্য নূতন রাজার অনুসন্দানে পপুগ্পব্ণ প্রেরিত হইবে” [দরীমুখ (৩৭৮)) ন্যাগ্রোধ (৪৪৫), শোঁণক (৫২৯), মহাঁজনক (৫৩৯)]। পবদিন রাজধানী অলঙ্ৃত হইত, পুণ্গরথে চারিটা কুমুগুত্র তুবদ্দ যোজিত হইত, রথের মধ্যে খড়গ, ছত্র, উদ্কীষ, পাদুকা! চামর, এই পঞ্চরাজচিহন দ্বাপিত হইত/ অনন্তব চতুরঙ্গিণী সেনা- পবিষৃত হইয়! মহাঁবাদ্যধবনির সহিত রথ নগরের বাঁহিবে যাইত। বর্ণনার ভঙ্গীতে মনে হয় অশ্বগণ যেন ইচ্ছামতই ছুটিত এবং যেখানে রাজপদ পাইবাব উপযুক্ত ফোন সুক্গণ পুরুষ থাকিত সেখানে থামিত। পুষ্পরবৃতান্ত গ্রক্কত হইলে এইবগ ্াজনির্ববাচনে পুবোহিতেবই ক্ষমতার পরিচন্ পাওয়া যায়, কারণ তিনিই ইহাঁর প্রধান উদ্যোক্তা। ইহা৷ যে মম্পূর্ণনপে আখ্যায়িকাকারের বল্পনাগ্রস্থত, অন্নুযানও অমন্গত নহে। ক্ষত্রিয় না হইলেও যে লোকে রাঁজপদ পাইতে পারিত, * ফেহ কেহ বলেন অঙ্গাতণক্র প্রমেনজিতের ভগিনী মগড়ীপুত্র--এক শরিচ্ছবিরাম- কথার গর্ভজাত। কিন্তপাঁলি সাহিত্যে তিনি কোশলয়াজকন্যার গর্ভজাঁত বলিয়াই বর্ণিত। মাতুলকদ্যাকে বিবাহ করিবার আরও অনেক উদাহরণ আছে। যশোধর! বুদ্ধদেবের এক পন্ষে মাতৃঘকন্যা, অম্যগক্ষে পিতৃঘন্যস্ুতা। মহীমীয়ার সহিত শুদ্ধোদনেরও এইক্প একাধিক নিকট খদ্ব্ষ ছিদ। অতএয দেখা যাইতেছে যে পুয়াকাঁলে হিন্ুসমানে খুড়তত, জেঠভত, গিবভভ যাধাত ভাই তগিনীর বিবাহ দৌঁধাবহ ছিল ন!। উদয্াতকে (৪৫৮) বৈগাত্রেয অিমীকে এবং দপরথজাতিকে (৪৬১) সহোদরাকে বিবাহ করিবার কথা আছে; 2

বৌধ হয় সমানে অতি প্রাচীন অবস্থার স্থৃতিমূলফ। এতিহাধিক সময়ে সহো। নায় প্রথ কেবল মিপরদেশেন শরীক রাঁজাদিগের মগ্টেই প্রচলিত ছিন্ন।

চে

বাদকুদে মাতুলকহার বিবাহ

যুমীদিগের সিংহানন- শ্রাণ্ি।

বংশী হইতে কানিরধ্যাচদ। পুপর্ধ।

ছজিরেতর বর্ণের মাজাপ্রাতি

অতাচারী গ্লাজপুত্রদিগের নির্বাসন।

খাযাকুমে শিতৃন্রোহ।

জাতকে পুরাততব। প্রথায় তাহার প্রাণ পাওয়া যায় নযগ্রোধজাতকে যে ব্যক্তি খাঁজা হইয়া" ছিলেন, তিনি এক অজ্ঞাতকুলা ছুঃখিনী রমণীর শরণিনিক্গিপ্ত পুত্র। পূর্বে সতাংকিল পাদকুশলমাঁথব জাতকবন্নিত ছুই জন ব্রাহ্মণের রাজ্যপ্রাপ্তির বখ বলা হইয়াছে। পতিহামিক প্রসঙ্গেও আমর! শৃত্রকুল্জাত নদ এব ত্রা্মণকুল- জাত কার্থদিগরের রাজ্যগ্রাপ্তি দেখিতে পাই।

দেখেব প্রাচীন সাহিত্যে দেখা যায়, কোন কোন রাজপুত্র রাজ্য হইতে নির্বাসিত হইতেন। নি্কাসনের একটা কারণ ছিল তাহাদের চরিত্রের উচ্ছ্নতা। রাঁচবাজ সিংহবানথর পুর বিজয়ের নির্বাসন পুরীবৃত্রপাঠকেব সুবিদিত।” কুর্া- বংশীয় সগররাজার পুভ্র অসমগ্জ নগরবাসীদিগেব সর্তানগুলি সরঘূর জলে ফেলিয়া দিয়া যজা দেখিতেন। ইহাঁতে নগরবাদীরা জুম্ধ হইয়া ঘগবকে বাঁলিযাছিল, গ্মহারাজ, হর আমাদিগকে, নয় অসমগ্রকে, রাজ্য হইতে দূর করিয়া! দিন।” সগন এ্রজাদিগকে তুষ্ট কবিবার জন্য অসমঞ্জকে তদ্ণ্ডে নির্বাসিত কবিয়াছিলেন ; গাছে তিনি যাইতে বিদ্ধ কবেন, এই আশঙ্কায় সগর নিজেই রথ আনাইয়া তাহাকে তাহা ভার্যাকে তুলিয় দিয়াছিলেন; নির্বাসিত বাঁজকুমাব কন্দ- মূলাদি সংগ্রহ্ব নিমিভ কেবল একখানি কোদালি একটা ঝুঁডি সঙ্গে লইতে গারিয়াছিলেন , তিনি এতত্িন্ন অন্য কৌন পাথেয় পান নাই (রামায়ণ, অযোধ্যা, ৩৬ মহাভীবত, বন, ১০৭)। জাতিকেও অত্যাচাবী রাঁজপুত্রেব নির্ববীসনেৰ কথা আছে [ দৃদ্বর (৩০৪)] | সত্যংকিল-জাতকে (৭৩) দেখা! যায়, প্রজার! এক ছুট বাঁজ- কুমাবকে গোপনে বধ কবিবাঁব চেষ্টা কবিয়াছিল। বাঁজকুমাব বিশ্বত্তর অতি- দানে রা্ভাগুবি শুন্য করিতে উদ্ভত হইয়াছিলেন বলিয়! প্রাবা এত অনন্ত হইয়াছিল যে তাহারা বাজাকে বনিয়৷ তাহাঁকে বাজ্য হইতে নির্বাসিত কবাইয়- ছিল [ বিশবস্তর (৫৪৭)। ]

নির্বাসনেৰ আর একটা কাবর্ণ ছিল বাঁজপুন্রদিগের পিতৃভ্রোহ। সংস্কৃত, পালি, উভয় সাহিত্য হইতেই বুঝা যাঁর, রাঁজাদিগকে গৃহশক্রব ভয়ে সর্বদা! সশঙক থাকিতে হইত। গৃহশক্রব মধ্যে মহিষী পুত্রেবাই প্রধান ছিলেন। মহিষী ু্টা হইলে সময়ে সময়ে যে রাজার উপাংগুহতযা হইত, কৌটিল্যেব অর্থশান্তে তাহীব উল্লেখ আছে, মেধাতিথিও মন্্ব ৭ম অধ্যায়ের ১৫৩ম শ্লোকের ভাষ্যে এই কথাবই সমর্থন করিম্বাছেন।* পবস্তপজাতকে (৪১৬) অসতী মহিষীর চক্রান্তে এক

সিংহীসন্ড্যত বাঁজাব উপ হত্যার কথা আছে) ইহা ছাড়া অগ্র কোন জাঁতকে

মহিদীকর্তৃক বাজাব প্রাণনাশেব উল্লেখ নাই। কিন্তু রাজকুমাবেরা যে সময়ে সময়ে মিংহাঁসননাঁভেব অন্য পিতৃহত্যা করিতেন, তাঁহার বেশ পৰিচয় পাওয়া যাঁয়। অজাতশত্র-কর্ভৃক বিশবিদাবেৰ * নিধন [সতী ৫১৫০)] এবং বিবাবকর্তৃক

দেবীগৃহে লীন! হি ভাতা ভদ্রদেনং জান। লাজাম্মধূদেতি বিষেণ পর্যযদ্য দেবী

“কাশীরাজম্‌। বিধগিগেল দৃপুেণীবন্তাং মেখলামশিন! দৌবীরং জানুধযাদরেন বেথা, , শংতুষা দেবী বিড্রখং যান [ অর্থশান্ত। ৪১ পৃঃ)

&

জাতকে পুরাতন